ঢাকাTuesday , 9 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফাঁসির রায়ে সন্তুষ্ট প্রসিকিউশন

Link Copied!

tribunal-2নিজস্ব প্রতিবেদক : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক সৈয়দ মো. হাসান আলী ওরফে হাছান আলী দারোগার ফাঁসির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে প্রসিকিউশন।
মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের কাছে তার সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া জানান।
প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহের সৈয়দ হসান আলী ওরফে রাজাকার হাছান আলী দারোগার বিরুদ্ধে আমরা প্রসিকিউশনের পক্ষে ৬টি অভিযোগ ও ২৬ জন সাক্ষি উপস্থাপন করেছি। আমরা তার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগসহ সব অভিযোগ প্রমাণে সমর্থ হয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘আদালত তার রায়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে আনীত ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন এবং ২, ৫ ও ৬ নম্বর অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ১ নম্বর অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’
মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এই মামলায় আসামি হাসান আলীকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন ট্রাইব্যুনাল। মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করতে অথবা গুলি করে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।’
তিনি বলেন, ‘একাত্তরে হাসান হিন্দু নিধনের লক্ষে গণহত্যা ও নির্যাতন চালিয়েছেন। হাসান আলীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের এ রায়ে প্রসিকিউশেনের পক্ষে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।’
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুস শুক্কুর খান বলেন, ‘আজ হাসান আলীর বিরুদ্ধে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের আনা ৬টি অভিযোগের মধ্যে একটি অভিযোগে তাকে অব্যাহিত দেয়া হয়েছে এবং বাকি ৫টি অভিযোগে তাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে। আমি মনে করি তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগে সাজা প্রদান করা হয়েছে আসামি উপস্থিত হয়ে আপিল করলে সেসব অভিযোগ থেকে তিনি মুক্ত হবেন।’
আসমিকে নির্দোষ দাবি করে আব্দুস শুক্কুর বলেন, ‘তার (হাসান আলীর) বাবা মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সভাপতি ছিলেন। ওই সময় হাসান আলী ঢাকায় অবস্থান করে একটি মাদ্রাসায় তিনি পড়াশোনা করতেন। মূলত বাবার অপরাধে তাকে সাজা প্রদান করা হয়েছে। আমি তার পরিবার বা তার সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করতে পারিনি। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই।’