বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় রিকশা চালককে বেধড়ক লাঠিপেটা করায় এক ট্রাফিক পুলিশকে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা। এ ঘটনায় পুলিশ আহত রিকশা চালক ও এক ইনস্যুরেন্স কর্মীকে আটক করেছে। পরে রিকশা চালককে চিকিৎসা খরচ দিয়ে ছেড়ে দেয়া হলেও ইনস্যুরেন্স কর্মীকে আটক রাখা হয়।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সাতমাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাতমাথায় ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করায় সেখানে কর্তব্যরত ট্রাফিক কনস্টেবল বাবর আলী রিকশা চালক রুহুল আমিনকে (৩৫) বেধড়ক লাঠিপেটা করেন। এক পর্যায়ে তিনি রাস্তার ওপর পড়ে গেলে উপস্থিত জনতা ট্রাফিক কনস্টেবলকে গণপিটুনি দেয়া শুরু করে। এ সময় টহল পুলিশ বাবর আলীকে উদ্ধার করে এবং রিকশা চালক ও ইনস্যুরেন্স কর্মী মঞ্জুরুল হক সিহাবকে (৩০) আটক করে সদর পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসে।
সেখানে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আমিরুল ইসলাম কনস্টেবল বাবর আলীর বক্তব্য শুনে ইনস্যুরেন্স কর্মী সিহাবের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা করেন। তবে রিকশা চালককে চিকিৎসার জন্য কিছু টাকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
আটক সিহাব জানান, তিনি বগুড়া প্রধান ডাকঘর থেকে রেভিনিউ স্ট্যাম্প কিনে পায়ে হেটে অফিসে যাচ্ছিলেন। এ সময় ট্রাফিক পুলিশকে মারপিটের ঘটনা দেখতে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে।
সদর ট্রাফিক পুলিশের একটি সূত্র জানায়, কনস্টেবল বাবর আলী এর আগেও রিকশা চালককে মারপিট করে অর্থ জরিমানা দিয়েছেন। এছাড়াও এক জন ম্যাজিস্ট্রেটকেও লাঞ্চিত করেছিলেন তিনি।

