ঢাকাMonday , 8 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৭ খুন: নারাজি আবেদনের আদেশ ৮ জুলাই

Link Copied!

7-marderনারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : সাত খুন মামলায় নজরুল ইসলামের স্ত্রীর নারাজি আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৮ জুলাই আদেশ প্রদানের দিন ধার্য করা হয়েছে।
সোমবার সকালের দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম শফিকুল ইসলামের আদালতে অভিযুক্ত সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন ও এমএম রানাসহ ৩৫ আসামির উপস্থিতিতে শুনানি হয়।
এজাহারে থাকা কয়েকজনের নাম অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়ায় এবং কয়েকজনের নাম না আসায় গত ১১ মে এ নারাজি আবেদন করেছিলেন নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি।
আলোচিত সাত খুনের ঘটনায় নজরুলের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এ মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে অ্যাডভোকেট চন্দন সরকার ও গাড়িচালক ইব্রাহিমকে অপহরণ ও হত্যা মামলার বাদী ছিলেন চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল। এ মামলায় আসামি অজ্ঞাত দেখানো হয়েছিল।
গত ৮ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী সংস্থা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দেয়া দু’টি মামলার অভিন্ন চার্জশিটে ভারতের কলকাতায় গ্রেপ্তারকৃত কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাবের চাকরিচ্যুত তিনজন আলোচিত কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তবে বিউটির মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এজাহারভুক্ত ৫ আসামিকে। যাদের মধ্যে রয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়াও।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্তি পিপি ফজলুর রহমান বলেন, সাত খুনের ঘটনায় নিহত চন্দন সরকারের পরিবার চার্জশিটে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক উদ্দেশে সেলিনা ইসলাম বিউটি নারাজি আবেদন করে থাকলে সেটা বাতিলের আবেদন করেছি। আগামী ৮ জুলাই আদালত আদেশ প্রদানের দিন ধার্য করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালত থেকে লিংক রোড ধরে ঢাকায় যাওয়ার পথে অপহৃত হন সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম এবং তার চার সহযোগী। প্রায় একই সময়ে একই সড়ক থেকে গাড়িচালকসহ অপহৃত হন আইনজীবী চন্দন সরকার। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল একে একে ছয়জনের এবং পরদিন ১ মে আরেকজনের মৃতদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে পাওয়া যায়।