নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে ক্ষমতার দর কষাকষি চলছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের একটি সমাবেশ থেকে। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
‘টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ, সীমান্তে হত্যা বন্ধ ও দেশবিরোধী সকল চুক্তি’ বন্ধের দাবি জানিয়ে মোদির ঢাকা সফরের ঠিক একদিন আগে এ সমাবেশ করলো সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। আগামীকাল শনিবার দুইদিনের সফরে ঢাকা আসছেন মোদি।
সমাবেশের সংগঠনের নেতারা বলেন, ‘আমাদের ন্যায্য দাবি তিস্তা ও পদ্মার পানি দিতে হবে। এই সব চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। আর দেশবিরোধী কোন চুক্তিই দেশের ছাত্র সমাজ মেনে নেবে না। আর হলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
সংগঠনের সভাপতি জর্নাদন দত্ত নান্টু বলেন, ‘ভারত হল একটি সাম্রাজ্যবাদী দেশ। তারা হিন্দুও নয়, বৌদ্ধও নয়। তারা একটি পুঁজিবাদী শাসকগোষ্ঠী।’
গত ৪৩ বছরে তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে ধিক্কারও জানান তিনি।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘যদি এই সফরে তিস্তা চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচন না হয় তবে কী নিয়ে আলোচনা হবে। বিএনপি মুখে সারাজীবন ভারতের বিরোধীতা করে গেলেও আজ তারা তাদের পর্যবেক্ষণ করছে। তারা কতটুকু দেউলিয়া না হলে এটা করতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আজ দুই দলই ক্ষমতায় যাওয়া যাবে কী করে, থাকা যাবে কী করে এই হিসেব কষছে। মোদির সফরে তারা আজ ক্ষমতার দরকষাকষি করছে।’
বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চের সভাপতি ইমরান হাবিব রোমান বলেন, ‘সাম্রাজ্যবাদী জঙ্গিসমাজকে টিকিয়ে রাখার সরকার হলো মোদি সরকার। তারা গুজরাটে লাখো মানুষকে হত্যা করেছিল। আজ সেই মোদিই বাংলাদেশে আসছে। এখন তাকে বলা হচ্ছে মোদি নাকি প্রগতিশীলতার সরকার।’

