স্বাস্থ্য ডেস্ক : গরমের মৌসুমে চোখ ওঠা রোগের প্রবণতা বেশি থাকে। তবে বছরের অন্যান্য সময়ও এই রোগ দেখা দিতে পারে। চোখের সাদা অংশ এবং চোখের পাতার ভিতরের অংশে প্রদাহকে চোখ ওঠা বা কনজাঙ্কটিভাইটিস বলা হয়। কনজাঙ্কটিভাইটিস ভাইরাসের আক্রমনে হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, এলার্জী বা আঘাত পাওয়ার কারণেও এ রোগ হতে পারে। যেকোনো বয়সের নারী পুরুষের এ রোগটি যেকোনো সময় হতে পারে। অপরিস্কার বা নোংরা জীবন যাপন পদ্ধতি এ ধরনের রোগ হতে সাহায্য করে।
চোখ উঠলে চোখ লাল হয়ে যায়, চোখের রক্তনালীগুলো প্রদাহের কারণে ফুলে যায়, ঘুম থেকে উঠলে চোখ আঠা আঠা লাগে, সব সময় চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছে এমন অনুভূতি হয়, চোখ চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া করে, আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি লাগে, সবকিছু ঘোলা দেখে, চোখ দিয়ে পানি পড়ে, চোখের কোনায় ময়লা জমে যায়।
কনজাঙ্কটিভাইটিস প্রথমে এক চোখে হয় এরপর তা অন্য চোখে ছড়িয়ে পড়ে। অন্য চোখটিকে সংক্রমিত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে জরুরি চিকিৎসা নেয়া উচিৎ। রোগীকে এসময় অসুস্থ চোখের পাশে কাত হয়ে শোয়া ভালো। এছাড়া চোখে বার বার হাত না দেয়া, চোখ না কচলানো, বার বার পানি দিয়ে না ধোয়া উচিৎ। এসময় রোগী কালো চশমা পরে থাকতে পারে, যাতে আলোর কারণে চোখের যন্ত্রণা না বাড়ে। তবে উপযুক্ত পরিচর্যায় অল্পদিনেই এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চোখ ওঠা রোগ থেকে মুক্তি পেতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। চোখ ওঠা রোগের চিকিৎসায় ডাক্তার অন্যান্য চিকিৎসার সঙ্গে এন্টিবায়োটিক ড্রপ দিতে পারেন।

