ঢাকাSunday , 11 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Link Copied!

রাজবাড়ীর পাংশায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানকে অস্বীকার করায় ফারুক হোসেন নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টায় রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মোঃ তহিদুল ইসলাম এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামী পলাতক ছিল। ফারুক হোসেন জেলার পাংশা উপজেলার নিশ্চন্তপুর গ্রামের আহম্মদ খার ছেলে।
মামলার অভিযোগে প্রকাশ, ওই নারী একজন তালাকপ্রাপ্ত । তার বাড়ী ও ফারুক হোসেনের বাড়ী পাশাপাশি। ফারুক হোসেন তার খারাপ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য প্রতারণাপূর্ণভাবে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে গত ২০১৮ সালের ৩০ মে ফারুক হোসেন বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই নারীকে তার বাড়ী থেকে কুষ্টিয়ার খোকসা রেল স্টেশন এলাকার আসামীর নিকটাত্মীয় বাবলু খোন্দকারের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে রাত ৮ টার সময় বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে প্রলুব্ধ করে ধর্ষণ করেন। ওই বাড়ীতে ২ মাস অবস্থান করে প্রতারণামূলকভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর আসামী ফারুক হোসেন বিয়ের কাগজপত্র তৈরী করার নাম করে ঢাকায় নিয়ে যান এবং তিনটি স্ট্যাম্প কাগজে স্বাক্ষর নেন। একপর্যায়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ে ও বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন নির্যাতন শুরু করেন। গত ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কৌশলে সেখান থেকে চলে আসেন। পাংশায় থানায় মামলা করতে গেলে মামলা না নেওয়ায় রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেণ। আদালত পাংশা থানায় এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। আসামী ফারুক হোসেন আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সেকেন্দার হোসেন মামলাটি তদন্ত করেন। আসামী মোঃ ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৭ ও ৯(১) ধারায় আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ জাহিদ উদ্দিন মোল্লা বলেন, আসামী ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(১) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও ৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরও ০১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী আসামী ফারুক হোসেনের প্রতি আরোপিত অর্থদন্ড ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। আসামী ফারুক হোসেন পুত্র হিসেবে প্রমাণিত হয়।