ঢাকাMonday , 29 June 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিল করার অভিযোগ

Link Copied!

​বাগেরহাটের শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুৎতায়ন বোর্ড শরণখোলা জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে গ্রাহকের মিটার না দেখেই মনগড়া ও ভুতুড়ে বিল করে গ্রাহকদের হয়রানির করার অভিযোগ উঠেছে। আর এতে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করেছে তারা এমন অভিযোগ গ্রাহকদের। গ্রাহকরা বলেন কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে তৈরি করা এসব বিল। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আগে যে পরিবারের মাসিক বিল আসতো ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, বর্তমানে সেখানে তাদের গুনতে হচ্ছে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা।
​সোমবার (২৯ জুন) সকালে শরণখোলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে সরেজমিনে গিয়ে এই অভিযোগের সত্যতা মেলে। কার্যালয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা শতাধিক ভুক্তভোগী নারী-পুরুষকে একই অভিযোগ নিয়ে ভিড় করতে দেখা যায়। অতিরিক্ত বিলের বোঝা আর হয়রানির কারণে তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
​তাদের দাবি, মাঠপর্যায়ের মিটার রিডাররা নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে রিডিং সংগ্রহ করেন না। তারা অফিসে বসেই ইচ্ছেমতো ইউনিট বসিয়ে দিচ্ছেন, যার ফলে বিলের অঙ্ক স্বাভাবিকের চেয়ে তিন-চার গুণ বেড়ে গেছে।
​অফিসে অভিযোগ নিয়ে আসা রায়েন্দা বাজারের গ্রাহক আফরোজা সুলতানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আগে তার সর্বোচ্চ ৩৫ থেকে ৫০ ইউনিটের বিল আসতো। অথচ এবার মিটার না দেখেই মনগড়াভাবে ২০০ ইউনিটের ১ হাজার ৬৭৩ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রাজৈর গ্রামের কবির মল্লিকের আগের ১৮০-২০০ টাকার বিলের জায়গায় মে মাসে এসেছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। উত্তর তাফালবাড়ির হামিদা বেগমের ৮০০ টাকার বিল আসার পর অভিযোগ করলে তা সংশোধন করে ২০০ টাকা করা হয়। গোলবুনিয়া গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন গাজীর নিয়মিত ৬৫০-৭০০ টাকার বিলের জায়গায় ১ হাজার ৪৯০ টাকা।
​সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে উপজেলার রাজৈর গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের ক্ষেত্রে। তার নিয়মিত ৩৫-৫০ ইউনিটের স্থলে ৩২৫ ইউনিটের বিল প্রদান করে কর্তৃপক্ষ। পরে অফিসে নিয়ে আসলে তাৎক্ষণিক তা সংশোধন করে ৪৫ ইউনিটে নামিয়ে আনা হয়।
​এ বিষয়ে শরণখোলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার বলেন, তিনি এখানে ২/৩ মাস আগে যোগদান করেছেন। কোনো গ্রাহকের বিলে অসঙ্গতি থেকে থাকলে, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা যাচাই-বাছাই করে দ্রুত সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এসকল বিলের সাথে কোন মিটার রিডার যদি অনিয়ম করে থাকে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।