গাজীপুরের শ্রীপুরে পোশাক শ্রমিককে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত তিন ধর্ষক এখনো অধরা। ঘটনার ২৩ দিন পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে সংঘবদ্ধ ধর্ষকরা। এ ঘটনায় নির্যাতিতা নারী বাদী হয়ে শ্রীপুর থানয় মামলা একটি দায়ের করেছেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলো- উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়নপুর এলাকার ফরিদপুর গ্রামের মো. তাইজ উদ্দিনের ছেলে শান্ত মিয়া (২১), মো. মইজ উদ্দিনের ছেলে রিফাত (২১) ও মো. আব্দুল খালেকের ছেলে মো. নাইম (১৯)। ভিকটিমের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকায়। তিনি নয়নপুর এলাকার হংকং সাংহাই মানজালা ফ্যাক্টরির কোয়ার্টারে থেকে হেলপারের চাকরি করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট (শুক্রবার) রাতে ভিকটিমকে অভিযুক্তরা ফোন করে হংকং সাংহাই মানজালা ফ্যাক্টরির কোয়ার্টার থেকে ডেকে আনে। পরে গভীর রাতে নয়নপুর এলাকার ফরিদপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মাস্টারের শিশু শিক্ষা স্কুলের পাশের জঙ্গলে নিয়ে ওই নারীকে অভিযুক্তরা একে একে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় গত ২৮ আগস্ট (শনিবার) শ্রীপুর থানায় নির্যাতিত নারী বাদী হয়ে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। রাতেই তিন ধর্ষক গা ঢাকা দেয়। এলাকায় অভিযান চালালেও অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের সাথে কথা বলতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূইয়া জানান, ভিকটিম শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়নি। কাপড় চোপড় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার রাত থেকেই মামলার তিন আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। খুব দ্রুত সময়েই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

