নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে নিশ্চিহ্ন করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘শোকের মাস, ষড়যন্ত্রের মাস আগস্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর থাকলে বাংলাদেশকে মেরে ফেলা যাবে না। তাই, দেশকে নিশ্চিত করে দেয়ার লক্ষ্যে তার শিশু সন্তানসহ সকলকে হত্যা করেছিল ষড়যন্ত্রকারীরা। কিন্তু, বঙ্গবন্ধুর রক্ত বা তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করে দেশকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।’
বঙ্গবন্ধুর হত্যার নেপথ্যে জিয়াউর রহমান ছিলেন, এ অভিযোগ করে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ছিল। জিয়াউর রহমান সরকার গঠনের পর পাকিস্তানের দোসরদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার নেপথ্যে তারা ছিল। জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় যারা ছিলেন, তারা পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রিসভাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। এ থেকেই প্রমাণিত হয় যে, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না।
বঙ্গবন্ধুহত্যার বিচারবিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কমিশন গঠনের দাবি অনেক পুরনো ছিল। জাতির জনক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিল তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়ার সুযোগ আমরা পেয়েছি। সে সুযোগ ছেড়ে না দিয়ে কাজে লাগানোর জন্য একটি কমিশন গঠন অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। আমি মনে করি, এই কমিশনকে শুধু বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে লোকজনকে চিহ্নিত করার কাজ করতে দেয়া উচিত। অন্যান্য বড় হত্যাকাণ্ডের কাজ না করার পরামর্শ রাখছি আমি।
সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব এ কে এম আতিকুর রহমান প্রমুখ।

