
ছবি- ফেসবুক
প্রযুক্তি ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের সংবামাধ্যমগুলোতে বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে ভুয়া সংবাদ নিয়ে সতর্কতা বাড়ানোর প্রচারণা বিস্তৃত করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুক।
টাইমস, গার্ডিয়ান, টেলিগ্রাফসহ বিভিন্ন ব্রিটিশ দৈনিকে প্রকাশিত এই বিজ্ঞাপনে কোনো একটি প্রতিবেদনকে সত্য হিসেবে ধরে নেওয়ার আগে যাচাই করা উচিত এমন ১০টি নির্দেশনার একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে।
এসব নির্দেশনার মধ্যে কোনো প্রতিবেদনের তারিখ আর ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস যাচাই করতে বলা হয়েছে, সেই সঙ্গে এটি কোনো বিদ্রুপের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে কিনা তাও দেখতে বলা হয়েছে।
চলতি বছর ৮ জুন অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভুয়া সংবাদ ঠেকাতে ফেসবুক রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে, বলা হয়েছে বিবিসি’র প্রতিবেদনে। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আর ইইউ থেকে যুক্তরাজ্য বের হবে কিনা তা নিয়ে হওয়া ভোটে সামাজিক মাধ্যমটি ফলাফল নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে, সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটির এক তদন্তে এমন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
এ দিকে ফেসবুকের দাবি, তারা ইতোমধ্যে ‘হাজার হাজার’ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সরিয়েছে আর তাদের ব্যবস্থা এখন কোনো পোস্ট বারবার দেওয়া হচ্ছে কিনা বা মেসেজিংয়ে কোনো বৃদ্ধি আসছে কিনা পর্যবেক্ষণ করছে। এধরনের কার্যক্রম চালানো অ্যাকাউন্টগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে।
মানুষ পড়তে চায় কিন্তু শেয়ার করতে নয় এমন প্রতিবেদনগুলোর র্যাংকিং কমিয়ে আনছে সোশাল জায়ান্টটি।
এ খবর প্রকাশের আগের মাসে যুক্তরাজ্যের রক্ষণশীল দলের সংসদ সদস্য ড্যামিয়ান কলিন্স ৮ জুনের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভুয়া সংবাদ ঠেকানোর আহ্বান জানান। তিনি দৈনিক গার্ডিয়ান-কে বলেন, যদি অনেক মানুষের কাছে সংবাদের মূল উৎস ফেইসবুক হয়ে ওঠে আর যদি ফেইসবুক থেকে তারা যে খবর পায় তার অধিকাংশই ভুয়া হয়, তাহলে তারা মিথ্যার উপর ভিত্তি করে ভোট দিতে পারে।
যুক্তরাজ্যের ফেসবুকের নীতিমালাবিষয়ক পরিচালক সায়মন মিলনার বলেন, “মানুষ ফেইসবুকে সঠিক তথ্য দেখতে চায় আর আমরাও তাই ।
মিথ্যা সংবাদ শনাক্তে মানুষকে সহায়তা করতে আমরা ফেসবুকে সবাইকে পরামর্শ দেখাই যে কীভাবে তারা বুঝবেন তাদের দেখা কনটেন্ট মিথ্যা। প্রতিষ্ঠানটি ‘ফুল ফ্যাক্ট’ আর ‘ফার্স্ট ড্রাফট’ নামের দুটি থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট চেকার প্রতিষ্ঠানকে ‘সমর্থন’ দিচ্ছিল বলেও যোগ করেন তিনি।
মিথ্যা সংবাদ শনাক্তে ফেসবুকের ১০ পরামর্শ-
শিরোনাম সন্দেহপ্রবণ কিনা দেখুন
ইউআরএল বা ওয়েব অ্যাড্রেস ভালোভাবে দেখুন
উৎস যাচাই করুন
অস্বাভাবিক কোনো ফরম্যাটিং হয়েছে কিনা দেখুন
ছবিগুলো বিবেচনা করুন
তারিখ দেখুন
প্রমাণ যাচাই করুন
অন্যান্য প্রতিবেদনগুলোও দেখুন
প্রতিবেদনটি কোনো কৌতুক কিনা?
কিছু প্রতিবেদন ইচ্ছাকৃতভাবেই ভুয়া (ব্যাঙ্গাত্মক)

