ঢাকাThursday , 20 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মহাবিশ্বে ধারণার চেয়ে ২০ গুণ বেশি ছায়াপথ

Link Copied!

galaxyবিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : আমরা পৃথিবী নামক একটি গ্রহে বাস করছি। আমাদের পৃথিবী, আরো ৭টি গ্রহ ও তাদের শতাধিক উপগ্রহ, সূর্য নামক নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এই ৮টি গ্রহ, উপগ্রহসমূহ ও সূর্যকে নিয়েই সৌরজগৎ। কতগুলো গ্রহ-উপগ্রহ ও সূর্যকে নিয়ে যেমন একটি নক্ষত্রব্যবস্থা বা সৌরজগৎ গঠিত হয়, তেমনি এরকম অসংখ্য নক্ষত্রব্যবস্থা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাসমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু দ্বারা গঠিত হয় একটি ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি। ছায়াপথ মহাকর্ষীয় শক্তি দ্বারা আবদ্ধ থাকে।
একটি আদর্শ ছায়াপথে ১০ মিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন পর্যন্ত তারা থাকে যারা সবাই একটি সাধারণ মহাকর্ষীয় কেন্দ্রের চারদিকে ঘূর্ণায়মান। বিচ্ছিন্ন তারা ছাড়াও ছায়াপথে বহুতারা ব্যবস্থা, তারা স্তবক এবং বিভিন্ন ধরনের নীহারিকা থাকে। অধিকাংশ ছায়াপথের ব্যস কয়েকশ আলোকবর্ষ থেকে শুরু করে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ পর্যন্ত এবং ছায়াপথসমূহের মধ্যবর্তী দূরত্ব মিলিয়ন আলোকবর্ষের পর্যায়ে।
এতদিন ধারণা ছিল, মহাবিশ্বে আমাদের পর্যবেক্ষণিক সীমার মধ্যে একশ বিলিয়নের বেশি ছায়াপথ রয়েছে। কিন্তু এবার বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, মহাবিশ্বে পর্যবেক্ষণিক সীমার মধ্যে অন্তত দুই ট্রিলিয়ন (২০ লাখ কোটি) ছায়াপথ রয়েছে, যা আগের ধারণার তুলনায় ২০ গুণ বেশি।
ব্রিটিশ নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদদের একটি দল হাবল টেলিস্কোপের ছবিগুলো রূপান্তর এবং মহাবিশ্বের থ্রিডি মানচিত্র পর্যবেক্ষণ করে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। ছায়াপথ ঘনত্ব নিরূপণ এবং সেই সঙ্গে পৃথক ছোট অঞ্চলের সংখ্যা নির্ধারণে এ প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তা একত্র করে চমকপ্রদ এ তথ্য জানা গেছে।
এতদিন পর্যন্ত এটা মনে করা হয়েছিল যে, পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব-যা নিসর্গ অংশ আমরা দেখতে পাই কারণ দূরবর্তী বস্তু থেকে আলো পৌঁছাতে পারে, চারপাশে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ছায়াপথ রয়েছে। কিন্তু নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মহাবিশ্বের ইতিহাস আগের যুগের সময় থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে অধিক ছায়াপথের অস্তিত্ব রয়েছে।
গবেষকদলের প্রধান ইউনিভার্সিটি অব নটিংহামের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার কনসেলিস বলেন, বেশিরভাগ ছায়াপথ এর আগে জানার বাইরে থেকে গেছে কারণ অনেক আগের যত ছায়াপথ রয়েছে তার অনেকগুলোই একে অন্যের সঙ্গে ঠাসাঠাসি করা এবং একেবারেই ক্ষীণ কিংবা অনেক বেশি দূরে অবস্থিত।
মহাবিশ্বে পর্যবেক্ষণ সীমার মধ্যে যে দুই ট্রিলিয়ন বা ২০ লাখ কোটি ছায়াপথ রয়েছে তার বেশিরভাগই এখনকার সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপের সাহায্যেও দেখা যায় না। কনসেলিসে মতে, শুনতে চমক লাগতে পারে যে, এখনো ৯০ শতাংশ ছায়াপথ নিয়ে গবেষণা বাকি রয়েছে।