নিজস্ব প্রতিবেদক : মাঠে শিশির পড়ায় বোলিংয়ে সমস্যা হয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের। এ ভয় ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল টাইগার অধিনায়কের। এজন্য টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন মাশরাফি। কিন্তু ম্যাচের আগে টসটাও হেরে বসে বাংলাদেশ।
তবুও বাংলাদেশ ২৭৭ রানের পুঁজি নিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে। সফরকারীরা ৪ উইকেট হাতে রেখে ১৩ বল আগে জয় পেয়েছে। শিশির প্রভাব ফেলার পরও বাংলাদেশের বোলাররা যেভাবে লড়াই করেছে তা প্রশংসার দাবী রাখে।
সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, ‘শিশিরের কারণে বোলাররা কোন টার্ন পাচ্ছিল না। এই কারণে পেস বোলারদের বোলিং করতে হয়েছে। এজন্য ওদের ব্যাটিং খুব সহজ হয়ে গিয়েছিল। ২৭৭ অনেক বড় রান। যতটুকু শিশির পড়েছে, তার অর্ধেকও যদি পড়ত, আমি নিশ্চিত এটা অন্যরকম ম্যাচ হত।’
‘শিশির হলে এই উইকেটে বোলিং করা কঠিন, বিশেষ করে স্পিনাদের জন্য খুব কঠিন। ইংল্যান্ডকেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তারা ভালো খেলেছে, খুব ভালো হ্যান্ডেল করেছে। আমি বলব আমরা অনেক দূর্ভাগা। বিশেষ করে স্পিনাররা বোলিংটা করতে পারেনি ঠিকমত। আমাদের যে পরিমাণ স্পিনার ছিল, বাঁহাতি-ডানহাতির যে কম্বিনেশন ছিল একটা পারফেক্ট ম্যাচ হতে পারত। আমরা যদি শুধু শিশিরটা না পেতাম!’-যোগ করেন অধিনায়ক।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে এ মাঠেই জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেবার দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফাঁদে পা দেয়। বাংলাদেশ আগে বোলিংয়ের সুযোগ পেয়ে ১৬৮ রানে প্রোটিয়াদের আটকে দেয়। পরবর্তীতে প্রোটিয়া বোলাররা বাংলাদেশের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
একই ধরণের উইকেট ও কন্ডিশনে খেলা হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন মাশরাফিও, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে শেষ ম্যাচটা আমরা এখানে জিতেছিলাম, একদম একই ধরণের উইকেট ছিল এবং একই কন্ডিশন ছিল। প্রথমে উইকেটে টার্ন পাচ্ছিলাম, এরপর ব্যাটে বল ভালো আসছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট ভিন্নভাবে আচরণ করতে থাকে। প্রথম ইনিংসে ওদের স্পিনাররা উইকেট থেকে শতভাগ সুবিধা নিতে পেরেছে। সেখানে আমার দশ ভাগও নিতে পারিনি। এখানেই আমাদের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’

