ঢাকাWednesday , 26 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিশুর নাকডাকার নানা কারণ

Link Copied!

baby-bed-লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঘুমের সময় নাকডাকা শুধু বড়দের সমস্যা নয়। বাচ্চাদেরও অনেক সময় এ সমস্যা দেখা দেয়। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কোনোরকম শারীরিক সমস্যা ছাড়াই ২০ শতাংশ শিশু নাক ডাকে। এটা অভ্যাসগত কারণেও হতে পারে। তবে শারীরিক কিছু সমস্যার কারণে বাচ্চা ঘুমের সময় নাক ডাকতে পারে। সাধারণত ৩ বছর বা তার বেশি বয়সের বাচ্চাদের এ সমস্যা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নাক ডাকার কারণে শিশুর নিদ্রাহীনতা রোগ হতে পারে যা তার শারীরিক এবং মানসিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করবে। তাই এ ব্যাপারে বাবা-মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। ঘুমের সময় শিশুদের নাক ডাকার নানা কারণ রয়েছে। যেমন-
নাকের ছিদ্র বড় থাকলে
যেসব বাচ্চাদের নাকের ছিদ্র বড় থাকে তাদের শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা হয়। নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হলে বাচ্চা মুখ দিয়ে শ্বাস নেয় এবং নিঃশ্বাসের শব্দ জোরে হয়।
স্থূলতা
সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের স্থূলতা রোগ বেশি হচ্ছে। যেসব শিশু অস্বাভাবিক মোটা তাদের ঘাড়ে প্রচুর চর্বি জমে যায়। এধরনের স্থূলতা নাক ডাকার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এ সমস্যা সমাধানে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
শ্বাসনালীর সমস্যা
শ্বাসনালীর কোন সমস্যা বা শ্বাসকষ্টজনিত রোগ থাকলে শিশু নাক ডাকতে পারে। এছাড়া কান ও গলায় কোন সংক্রমণ থাকলেও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় শ্বাসকষ্টজনিত রোগের চিকিৎসা করালে এর প্রতিকার সম্ভব।
ভাইরাস সংক্রমণ
নাকে অ্যালার্জির সমস্যা, সাইনসাইটিস, ভাইরাসঘটিত সমস্যা থাকলে ঘুমের সময় শিশু মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়। এর ফলে শিশু নাক ডাকতে পারে।
বড় টনসিল
নাক ডাকার অন্যতম প্রধান কারণ বড় টনসিল। টনসিল স্বাভাবিকের চেয়ে বড় থাকলে শ্বাস প্রশ্বাসে মারাত্মক সমস্যা হয়। এর ফলে নাক ডাকার শব্দ অনেক জোরে হয়। এ সমস্যা থাকলে জটিলতা এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তার দেখানো উচিৎ।
মানসিক চাপ
মানসিক চাপের কারণেও শিশু নাক ডাকতে পারে। তাই শিশুকে বিষণ্ণ হতে দেখলে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করুন।
শিশুর নাক ডাকা সমস্যাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তার দেখান। সঠিক চিকিৎসায় এ সমস্যা দূর করা সম্ভব।