
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ উইং) মো. মোশারফ হোসেন। পাশে মঞ্চে উপবিষ্ট (ডান থেকে) প্রকল্প পরিচালক মো. ছারওয়ার জাহান এবং ডিএই’র মহাপরিচালক এ জেড এম মমতাজুল করিম।
নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ ১৪ জুন রোববার রাজধানীর খামারবাড়িস্থ আ. কা. মু. গিয়াস উদ্দিন মিল্কী অডিটরিয়ামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’র বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও পর্যালোচনা শীর্ষক জাতীয় কর্মশালা ২০১৪-১৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডিএই’র মহাপরিচালক কৃষিবিদ এ জেড এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ উইং) মো. মোশারফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্ম প্রধান (ফসল উইং) আবদুল আজিম চৌধুরী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান (পরিকল্পনা) মো. মনজুরুল আনোয়ার, ডিএই’র পরিচালক (সরেজমিন উইং) কৃষিবিদ শেখ হেমায়েত হোসেন এবং বিসিএস (কৃষি) এসোসিয়েশনের সভাপতি কৃষিবিদ এস. তাসাদ্দেক আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মোশারফ হোসেন প্রকল্পের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করে বোরো আবাদ কমিয়ে গমের আবাদ বাড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি বলেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের জন্য কোয়ার্টার নির্মাণসহ আরও কিছু প্রকল্প পাইপলাইনে আছে।
আবদুল আজিম চৌধুরী বলেন, উৎপাদনকারী কৃষকগণ মোট উৎপাদনের ৯৬ ভাগ নিজেরাই ব্যয় করে, বাকিটা বাজারে আসে। তাদেরকে এ প্রবণতা থেকে বের করে আনার দায়িত্ব কৃষি বিভাগের। বীজ উৎপাদনে এবং বাজারজাত করণে যত্নবান হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন তিনি।
মো. মনজুরুল আনোয়ার প্রদর্শনীর কৃষক নির্বাচনে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আরো আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন।
শেখ হেমায়েত হোসেন প্রকল্পের কর্মকাণ্ড নিবিড় তত্ত্বাবধানের উপর জোর দিয়ে এর সফলতা কামনা করেন।
এস. তাসাদ্দেক আহমেদ বলেন, প্রকল্পটি আরো কয়েক বছর অব্যাহত রাখতে পারলে কৃষকদের বীজের চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হবে। আগামীতে এ প্রকল্পের কর্মকা- মনিটরিংয়ের লক্ষ্যে গাড়ী ও বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজ গোডাউন নির্মাণের ব্যাপারে পরামর্শ দেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে বাজারে বীজের সংকট দূর হয়ে যাচ্ছে। কৃষক নিজের বীজ নিজেই উৎপাদন করতে পারছে। এ সময় তিনি ফলন পার্থক্য কমিয়ে আনার বিষয়েও পরামর্শ দেন।
এ জেড এম মমতাজুল করিম বলেন, একসময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশ সকলের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় আজ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে।
কর্মশালার কারিগরি অধিবেশনে গম গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউিটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)’র যুগ্ম পরিচালক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

