ঢাকাWednesday , 10 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একই দিনে ঢাকায় ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’

Link Copied!

dainoshorবিনোদন ডেস্ক : বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ডাইনোসর নিয়ে ১৯৯৩ সালে স্টিভেন স্পিলবার্গ নির্মাণ করেন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি-নির্ভর ছবি ‘জুরাসিক পার্ক’। অস্কারের ৬৬তম আসরে চারটি শাখায় পুরস্কার পায় ছবিটি। ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও ‘জুরাসিক পার্ক’-এর আবেদন কমেনি এখনো। বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয় এ সিরিজের চতুর্থ ছবি ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’ মুক্তি পাচ্ছে ১২ জুন। ঢাকায় মুক্তির এক দিন পূর্বেই ছবিটির প্রাক-প্রদর্শনী হবে যা সাধারণ দর্শকরা নির্ধারিত টিকেটের মূল্য দিয়ে ছবিটি উপভোগ করতে পারবেন।
১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জুরাসিক পার্ক’ ছবির সরাসরি সিক্যুয়েল ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’। এ প্রসঙ্গে ছবির প্রযোজক ফ্র্যাঙ্ক মার্শাল বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রথম ছবিতে যা করেছিলাম সেখানে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে থেকেই ছবিটির সরাসরি সিক্যুয়েল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ ১৯৯৩ সালে স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত ‘জুরাসিক পার্ক’ ছবি মুক্তির পর হইচই পড়ে যায় চারদিকে। সায়েন্স ফিকশন অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার ছবিটিতে বিশাল আকৃতির সব ডাইনোসরের ধুন্ধুমার কীর্তিকলাপ দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান দর্শক। ছবিটির ব্যাপক সাফল্যের রেশ ধরে এর দুটি সিক্যুয়েল ‘দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড: জুরাসিক পার্ক’ এবং ‘জুরাসিক পার্ক ৩’ মুক্তি পায় যথাক্রমে ১৯৯৭ ও ২০০১ সালে। মাইকেল ক্রিচটনের উপন্যাস থেকে স্টিভেন স্পিলবার্গ ‘জুরাসিক পার্ক’-এর ভাবনা পেয়েছিলেন। ১৯৯৩ সালে এ সিরিজের প্রথম ছবি মুক্তি পায়। ক্লোন পদ্ধতিতে তৈরি করা ডাইনোসরের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আইলা নুবলার দ্বীপে একটি বিনোদন পার্ক গড়ে তোলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের আগে জন হ্যামন্ড কয়েকজন বিজ্ঞানীকে পার্ক পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। তাঁরা দ্বীপে গিয়ে ডাইনোসর দেখে বিস্মিত হন। কিন্তু ষড়যন্ত্রের কারণে কিছু ডাইনোসর বিদ্যুৎবেষ্টিত খাঁচা ভেদ করে বাইরে চলে আসে। বিজ্ঞানীরা ডাইনোসরের হাত থেকে বাঁচার জন্য দ্বীপ থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এ রকম গল্প নিয়েই জুরাসিক পার্কের কাহিনি গড়ে উঠেছে।
jurassicworldছবিটিতে অভিনয় করেছেন স্যাম নেইল, লরা ডার্ন ও জেফ গোল্ডব্লাম। এটি মোট আয় করেছে ৯২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে সময় পর্যন্ত সর্বকালের সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী ছবি ছিল এটাই। বর্তমানে আয়ের দিক দিয়ে এর স্থান দশম। আর ‘জুরাসিক পার্ক’ সিরিজের তিনটি ছবির মোট আয় ১.৯ বিলিয়ন ডলার। প্রথম দুটির পরিচালক স্পিলবার্গ হলেও ২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জুরাসিক পার্ক থ্রি’ পরিচালনা করেন জো জনস্টন। তবে নেপথ্যে আছেন স্টিভেন স্পিলবার্গ। ইউনিভার্সাল পিকচার্সের সঙ্গে যৌথভাবে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘গার্ডিয়ান্স অফ দ্য গ্যালাক্সি’ খ্যাত ক্রিস প্র্যাট, ব্রাইস ডালাস হাওয়ার্ড, জেইক জনসন, জুডি ব্রিয়ারসহ আরও অনেকে। বলিউড অভিনেতা ইরফান খানও আছেন একটি চরিত্রে। ছবির প্রথম ট্রেইলার প্রকাশিত হয়েছে ২৫ নভেম্বর। ইতোমধ্যে দুই কোটির বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন ট্রেইলারটি। এটি শুরু হয় দুই কিশোরের জুরাসিক ওয়ার্ল্ডে ঘুরতে যাওয়ার ঘটনা দিয়ে। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে শাটল ট্রেনে করে জুরাসিক ওয়ার্ল্ডে প্রবেশ করে তারা। জুরাসিক পার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা জন হ্যামন্ডের পরিকল্পনামতোই নাবলার দ্বীপ এখন ডায়নোসরদের অভয়ারণ্য। সেখানেই জুরাসিক ওয়ার্ল্ডের উচ্চপদসস্থ এক কর্মকর্তা জানান, এক দশকের গবেষণা শেষে তারা এখন তৈরী করতে সক্ষম হয়েছেন হাইব্রিড ডাইনোসর। ৪০ ফুটেরও বেশি উচ্চতার এই ডায়নোসরকে নিয়েই আশঙ্কা প্রকাশ করেন পার্কের অন্য ডাইনোসরদের নিয়ে গবেষণা করতে আসা প্রাণীবিদ ওয়েন। তার আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়। ভয়ঙ্কর এই দানবের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত পার্কে আসা পর্যটকদের উদ্ধার করতে পারবেন তো ওয়েন? সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।