ঢাকাSunday , 7 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ই-কমার্সকে ভ্যাটমুক্ত রাখার আহ্বান

Link Copied!

ecabতথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বাজেটে অনলাইনে পণ্য ও সেবা বেচা-কেনার ওপর ৪ শতাংশ ভ্যাট (মূসক) ঘোষণা করা হয়েছে। ই-কমার্সের মতো একটি উঠতি, বিকাশমান ও অপেক্ষাকৃত নতুন খাতের ওপর এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ই-কমার্স সেক্টরের উন্নয়নকে আরো গতিশীল করার জন্য এ খাতকে আরো কয়েক বছর ভ্যাটমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।
ই-ক্যাব জানায়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ই-কমার্স অনেক দেরিতে শুরু হয়েছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশে অনলাইনে লেনদেন চালু করা হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে ই-কমার্স খাত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ খাতে এখনো নানা সমস্যা বিদ্যমান।
ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখনো কম। দেশের বর্তমান অবকাঠামো ই-কমার্স বান্ধব নয়। ই-কমার্স সম্পর্কিত এখনো কোনো নীতিমালা বা বিধিবিধান নেই। এত সব বাধা উপেক্ষা করেও দেশে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ছে।
দেশের তরুণ প্রজন্ম ই-কমার্সের মাধ্যমে নিজেদের জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখছেন। এরা ই-কমার্স উদ্যোক্তা হতে চান। তাদের এই উদ্যমকে ধরে রাখার প্রয়োজনেও ই-কমার্স খাতকে আরও কয়েক বছর ভ্যাটমুক্ত রাখা দরকার বলে ই-ক্যাব মনে করে।
ব্যাংকগুলো ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের জন্যে উচ্চহারে চার্জ আদায় করে। বাংলাদেশে ই-কমার্সের জন্যে বিশেষ কোন ডেলিভারি সার্ভিস নেই। প্রচলিত কুরিয়ার দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য সরবরাহ করে থাকে। এসব কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর ডেলিভারি রেট খুবই বেশি। এসব মিলিয়ে অনলাইনে একটি পণ্যের দাম বাজারের দামের তুলনায় বেশি পড়ে।
পণ্যের দাম সহনীয় মাত্রায় রাখতে এবং ক্রেতা ধরে রাখতে ই-কমার্স উদ্যোক্তারা যথাসম্ভব কম লাভে পণ্য বিক্রি করেন। সব উদ্যোক্তাই এখন তাদের ই-কমার্স ব্যবসায়ের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত।
এমতাবস্থায় অনলাইনে পণ্য বেচাকনার ওপর সরকারের ৪ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করা হলে দেশে অনলাইনে কেনাকাটার ব্যাপারে ক্রেতারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। তখন অনেক তরুণ উদ্যোক্তা ই-কমার্স ব্যবসায় করার উদ্যম হারিয়ে ফেলবেন।
অনেক তরুণ-তরুণী যারা নিজেদের ই-কমার্স ব্যবসায় শুরু করার পরিকল্পনা করছেন তারাও আর উৎসাহ পাবে না। নতুন উদ্যোক্তার অভাবে ই-কমার্স খাতও নিস্তেজ হয়ে পড়বে।
তাই ই-ক্যাব মনে করে, ই-কমার্স খাতকে গতিশীল করে তোলার জন্য সরকারের উচিত হবে এ খাতকে আগামী কয়েক বছরের জন্যে ভ্যাট মুক্ত ঘোষণা করা।