ঢাকাTuesday , 2 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সম্মেলন না হওয়ায় ছাত্রলীগের তৃণমূলে হতাশা

Link Copied!

logoযশোর প্রতিনিধি : যশোর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন না হওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ৮ জুনের মধ্যে খুলনা বিভাগের অন্য জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন শেষ হতে চললেও যশোর নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় মনোক্ষুন্ন পদ প্রত্যাশীরা। আগামী ২৫-২৬ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলনের আগেই যশোরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সূত্র মতে, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ গত ৮ মে সংবাদ সম্মেলন করে মেয়াদোত্তীর্ণ প্রায় সব জেলা ইউনিটের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তারিখ ঘোষণা করে। এর মধ্যে সম্মেলন হতে বাকি থাকা খুলনা জেলা ৬ জুন, ৭ জুন খুলনা মহানগর ও ৮ জুন মাগুরা জেলা রয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে শুধুমাত্র যশোর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হয়নি। এতে হতাশ হয়েছেন এ জেলার নেতাকর্মীরা।
জেলা ছাত্রলীগের স্কুল বিষয়ক সম্পাদক সরদার ফরিদ আহম্মদ জানান, নির্দিষ্ট সময়ে সম্মেলন না হলে ছাত্রলীগ করার বয়স থাকে না। ফলে অনেক যোগ্য ও পরিশ্রমী কর্মী সংগঠনে পদ পান না। এজন্য তিনি যশোর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন করার জন্য জেলা আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ সর্দার জানান, তারাও জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন দাবি করছেন। বর্তমান কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ। এখন যদি সম্মেলন হয়, তাহলে প্রকৃত অনেক ছাত্র সংগঠন করার সুযোগ পাবে।
জেলা ছাত্রলীগের আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন রানা জানান, বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে যশোর থেকে অনেকে যোগাযোগ করে সম্মেলন করার কথা বলেছেন। কিন্তু সব জেলার তারিখ ঘোষণা করা হলেও যশোরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এজন্য তিনিও হতাশ।
এদিকে, আসন্ন ছাত্রলীগের সম্মেলনে অনেকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সু-সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। কিন্তু সম্মেলনের তারিখ বা আদৌ সম্মেলন হবে কিনা বর্তমান সময়েও তারাও সন্দিহান হয়ে হা-হুতাশ করছেন।
সভাপতি ও সম্পাদক পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের অন্যতম হলেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল, সহ-সভাপতি নিয়ামত উল্লাহ, রবিউল ইসলাম, ও মনোয়ার হোসেন ইমন, বর্তমান যুগ্ম-সম্পাদক তরিকুল ইসলাম জনি ও জসিম উদ্দিন রানা, বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ সর্দার, ছাত্রনেতা আশরাফুল ইসলাম, রিয়াদ হোসেন জুনিয়র, সরদার ফরিদ আহম্মদ প্রমুখ। এদের মধ্যে বেশিরভাগ নেতা সম্মেলন না হওয়ায় চরম ক্ষুব্ধ। তারা তৃণমূলের এ বিষয়টি গুরুত্ব দিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অনুরোধ জানিয়েছেন।
জানা যায়, ২০১১ সালে ৯ জুলাই আরিফুল ইসলাম রিয়াদকে সভাপতি ও আনোয়ার হোসেন বিপুলকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা ছাত্রলীগের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এরপর ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১১৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। কমিটিতে এক ঝাঁক নতুন নেতৃত্ব আসায় ব্যাপক সাড়া পড়ে তৃণমূলে। কিন্তু তৃণমূলের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন দিন দিন শেষ হতে চলেছে। নিজেদের মধ্যে বিভক্তসহ নানা কারণে জেলার বর্তমান নেতৃত্ব আট উপজেলার ছয়টিতেই কমিটি গঠন করতে ব্যর্থ হয়। ফলে প্রায় এক যুগ আগে গঠিত কমিটি দিয়ে চলছে চৌগাছা, ঝিকরগাছা, মণিরামপুর, কেশবপুর, অভয়নগর ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগ।
তেমনি এমএম কলেজ, পলিটেকনিক কলেজসহ বিভিন্ন পৌরসভার ইউনিটও গঠন করা হয়নি। আর বর্তমানে জেলা কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট থাকায় এসব ইউনিট গঠন করা প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি মেয়াদ উত্তীর্ণ জেলা কমিটি ভেঙে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করা হোক।