ঢাকাSunday , 31 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আজ বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস

Link Copied!

Cigarretনিজস্ব প্রতিবেদক : তামাকের অবৈধ ব্যবসায় শুধু আমাদের দেশে নয়, এ সমস্যা বিশ্বব্যাপী। বিশ্ব বাজারে প্রতি দশটি সিগারেট শলকার একটিই বিক্রি হয় অবৈধভাবে। অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী সিগারেট বাণিজ্যের ১১ দশমিক ৬ শতাংশই অবৈধ এবং এর প্রত্যক্ষ ফল হিসেবে রাষ্ট্রগুলোকে প্রতিবছর ৪০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার রাজস্ব ক্ষতি গুণতে হচ্ছে। বাংলাদেশের মত নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই রাজস্ব ক্ষতির মাত্রা আরো বেশি।
অথচ, দ্যা ইউনিয়ন এর গবেষণায় দেখা যায়- বিশ্বে তামাক পণ্যের এ অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করা গেলে সামগ্রিকভাবে সিগারেটের দাম ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়বে এবং বিশ্বব্যাপী এর ব্যবহার দুই শতাংশ কমবে। ফলে বছরে এক লাখ ৬০ হাজার মানুষের জীবন বাঁচানো যাবে, যার মধ্যে এক লাখ ৩২ হাজার মানুষই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের। পাশাপাশি সারা বিশ্বের সরকারগুলোর অতিরিক্ত ৩১ দশমিক তিন বিলিয়ন ইউএস ডলার রাজস্ব আয় হবে যার মধ্যে ১৮ দশমিক তিন বিলিয়ন আয় হবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর।
রোববার বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। চোরাচালান ও কর প্রদান ব্যতীত তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবসা বন্ধের আহ্বানে পালিত হতে যাচ্ছে এবারের দিবসটি। এবারের প্রতিপাদ্য করা হয়েছে ‘তামাকজাত পণ্যের অবৈধ ব্যবসায় বন্ধ কর’। দিবসটির এমন প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে কয়েকটি লক্ষ্য নিয়ে। সেগুলো হল- তামাকের অবৈধ বাণিজ্য কমদামি তামাকপণ্যের সহজলভ্যতা বাড়ায়। এতে বিশেষত তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ স্বাস্থ্য ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তাই এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা; তামাক নিয়ন্ত্রণে গৃহীত সরকারি নীতিমালাগুলো কিভাবে বাধাগ্রস্থ হয় তা তুলে ধরা; সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য চোরাচালানের সঙ্গে তামাক কোম্পানিগুলোর সম্পর্ক তুলে ধরা; চোরাচালান অপরাধী চক্রের সংঘবদ্ধ রুপ তুলে ধরাসহ অবৈধ বাণিজ্য প্রটোকল অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উৎসাহী করা। এ বিষয়গুলোকে জনসম্মুখে তুলে ধরতেই তামাকমুক্ত দিবসে এবারের এ প্রতিপাদ্য।
তামকজাত পণ্যের অবৈধ ব্যবসা বন্ধের আহব্বান জানিয়ে শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘জনাস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাকজাত দ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা বন্ধে করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট।
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, চোরাচালান ও কর ফাঁকি দেয়ার মাধ্যমেই বাজারে তামকজাত দ্রব্য বেশী আসছে। ফলে কম দামে বিক্রি হওয়ায় যুব সমাজ, মধ্য ও স্বল্প আয়ের মানুষ তামাকজাত পণ্য ক্রয়ে বেশি উৎসাহী হচ্ছে। পাশাপাশি চোরাচালানকৃত তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবসা জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির উপরও বেশ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
তামাকজাত দ্রব্যের চোরাচালানের সঙ্গে তামাক কোম্পানিগুলোই জাড়িত এমন অভিযোগ করে বক্তারা আরো বলেন, যুবসমাজ ও স্বল্প আয়ের মানুষদের হাতে কর ফাঁকির মাধ্যমে সস্তায় সিগারেট পৌঁছে দেয়ার লক্ষে কোম্পানিগুলো এই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পরছে। তামাকপণ্যের যোগান ব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই এ অবৈধ বানিজ্যের মূল লক্ষ্য।