ঢাকাMonday , 25 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গারো তরুণীকে ধর্ষণ ‘পরিকল্পিত’ তবে ক্লুলেস

Link Copied!

Rapeনিজস্ব প্রতিবেদক : চলন্ত মাইক্রোবাসে উঠিয়ে গারো তরুণীকে গণধর্ষণ করার ঘটনাকে পূর্ব পরিকল্পিত মনে করছেন গোয়েন্দারা। তবে ঘটনাটি এখনো ক্লুলেস। ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও কোনো কূলকিনারা করতে পারছে না পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করলেও ধর্ষণকারীরা ভুক্তভোগীর পূর্বপরিচিত না হওয়ায় তাদের সনাক্ত করা যাচ্ছে না।
গত শনিবার দুপুরে গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির জানিয়েছিলেন, একজন ধর্ষণকারীর নাম তারা পেয়েছেন।
এরপর পেরিয়ে গেছে আরো দুইদিন। গ্রেপ্তারতো দূরের কথা, এখন পর্যন্ত কোনো ধর্ষণকারীকে সনাক্তই করতে পারেনি পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে ঘটনাটি এখনো ক্লুলেস। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘এখনো কোনো আসামিকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।’
এ ঘটনা তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তিনিও বলেছেন, ‘পুলিশ ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।’
তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গারো তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। সম্ভাব্য ব্যক্তিদের চেহারা সনাক্তেরও চেষ্টা চলছে। আশা করছি খুব শিগগিরই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’
ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত কি না জানতে চাইলে পুলিশের এ মুখপাত্র বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত কি না। তবে আমরা ধারণা করছি ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত।’
এদিকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে এ ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার হয়েছে। বিষয়টি জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘অন্যকোনো সংস্থাও যদি কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করে তবে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে আসামিকে হস্তান্তর করবে। এখন পর্যন্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা (সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত) এ বিষয়ে কিছু জানে না।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় অস্ত্রের মুখে এক গারো তরুণীকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে ধর্ষণ করে পাঁচ যুবক। এরপর ওই তরুণীকে উত্তরার জসিমউদ্দিন রোডে ফেলে আসে ধর্ষকরা।
এ ঘটনার পরদিন শুক্রবার ভাটারা থানায় পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী তরুণী। এরপর থেকেই তিনি পুলিশ হেফাজতে আছেন।
শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে সাতদিন পর।
এদিকে রোববার এ ঘটনার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারকির জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার শেখ নাজমুল আলমকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ।