ঢাকাTuesday , 16 September 2014
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যায় ১০ জনের ফাঁসি

দৈনিক পাঞ্জেরী
September 16, 2014 11:08 am
Link Copied!

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

জেলায় স্কুলছাত্রী সীমা ধর্ষণ ও  হত্যা মামালায় ১০ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুর ২টা দিকে এ রায় ঘোষণা করেন লক্ষ্মীপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল বাসিদ। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৫ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে।
ফাঁসির আসামিরা হলেন- কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের আবুল কাসেমের ছেলে হিরণ (২৪), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার  অনন্তপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৩), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার শ্রীরামপুর দত্তপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের আ.ছাত্তারের ছেলে নূর আলম প্রকাশ নূরু (২২), নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামের মৃত ইউছুফ মহাজনের ছেলে হেদায়েতুল্লাহ সরদার (৫০), নোয়াখালীর সাতখিল উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে নুরুন্নবী (২৭) এরা সবাই বর্তমানে কারাগারে আছেন।

Fashiএ ছাড়া পলাতক আছেন-নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দহরপাড়া গ্রামের গোলাম রহমানের ছেলে মানিক,(৩০), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের তালিতপুর গ্রামের নূরুল আমিনেরর ছেলে রাশেদ (২৫), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রুদ্রপুর গ্রামের সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে সুমন (২০), বেগমগঞ্জের একলাশপুর গ্রামের এনায়েততুল্লার ছেলে সোহেল (২৭)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই রাতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দয়াপাড়া গ্রামের কৃষ্ণলাল দেবনাথের বাড়িতে ২০/৩০ জনের একদল ডাকাত প্রবেশ করে। তারা অস্ত্রের মুখে বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে। তারা স্বর্ণালঙ্কারসহ সব মালামাল লুট করে। এ সময় ডাকাত দল কৃষ্ণলালের নাতনি ও প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী স্মৃতি রানী নাথ সীমাকে (১২) গণধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যা করে।
ঘটনার পরের দিন ১৯ জুলাই সীমার দাদা কৃষ্ণলাল দেবনাথ বাদী হয়ে ২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় একটা হত্যা ও ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করে। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই বিল্লাল হোসেন ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সেই সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত  ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্ত আসামিকে ফাঁসির আদেশ দেন ও প্রত্যেককে একলাখ টাকা জরিমানা করে নিহতের পরিবারকে দেয়ার নির্দেশ দেন। এবং অপরাধ প্রামাণিত না হওয়ায় ১৫ জনকে বেকসুর খালাস দেন।
এদিকে, আদালত এলাকায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবী একেএম হুমায়ুন কবির জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন জানান, সীমা হত্যার ঘটনায় আদালত ১০ জনকে ফাঁসির আদেশ দেয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।
নিহত সীমার মা মিনতি রানী এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তাদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান।