ঢাকাFriday , 24 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওদের কাছে ধর্ষণ মানে ‘চান্স’!

Link Copied!

rapeনারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : ওদের পরিচয় বখাটে। কাছে থাকে ধারালো সব অস্ত্র। পেছনে থাকে আন্ডারগ্রাউন্ড পাওয়ার। ওরা ঘুরে বেড়ায় আইন পকেটে নিয়ে। কেউ কিছু করতে পারে না ওদের। তাই, ওরা যা খুশি তাই করতে পারে চান্স পেলেই। মাঝে মাঝে সেই বিশেষ চান্স (সুন্দরী) খোঁজে তারা। পেলেই হামলে পড়ে সদলবলে।
বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে ওরা ৭-৮ জন মিলে বসেছিল নারায়ণগঞ্জ বন্দরের একরামপুর খেয়াঘাটে। ঠিক ওই সময় পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছিল এক তরুণী। দেখতে বেশ। ওরা চান্স পেয়ে গেল। এরপর যথারীতি অভিযান।
তরুণী ও তার সঙ্গে থাকা দুজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায় পাশের রূপালী আবাসিক এলাকার নির্মাণাধীন টিন সেট ঘরে। পুরুষ দুজনের হাতপা বেঁধে ফেলে। কয়েকজন মিলে তরুণীকেও আটকে ফেলে। এরপর এক এক করে তাদের চান্স নিতে থাকে। এক পর্যায়ে তরুণী ডাক-চিৎকার দিতে থাকে। টের পেয়ে যায় এলাকাবাসী। তারা ঘটনাস্থলে আসার আগে পালিয়ে যায় বখাটেরা।
এলাকাবাসী সেই তরুণী আর বেঁধে রাখা দুজনকে উদ্ধার করে। পরে জানা যায় তরুণীটি একজন গার্মেন্ট শ্রমিক। তার সঙ্গে থাকা একজন তার স্বামী, অন্যজন তার বেয়াই।
এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে বন্দর থানায় মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর খালাতো বোন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর থেকে স্বামী ও বিয়াইকে নিয়ে ওই তরুণী গৃহবধূ (১৯) একরামপুরে তার খালার বাড়িতে বেড়াতে যান। রাত ৯ টার দিকে খালার বাড়ি থেকে বাসায় ফিরছিলেন। একরামপুর খেয়াঘাটে এলে বন্দর রূপালী আবাসিক এলাকার রবিউলের বখাটে ছেলে জুয়েল, আয়ুব আলীর বখাটে ছেলে রমজানসহ ৭-৮ জন ঘাট থেকে তাদের ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করে। পরে রূপালীতে বাদশার নির্মাণাধীন টিন সেট ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকেসহ বেঁধে রাখা স্বামী ও বিয়াইকে উদ্ধার করে।
এদিকে, ঘটনা জেনে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়েল (২২) ও রমজান (২৩) নামে দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে। বাকিরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার কিশোরী-তরুণীরা ওইসব বখাটেদের ভয়ে সব সময় আতঙ্কিত থাকে। বখাটেদের ইচ্ছে হলেই যে কোনো নারীকে তারা টার্গেট করে। এরপর চান্স নেয়ার চেষ্টা করে। ভয়ে কেউ ওদের বিষয়ে মুখ খোলে না।
নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।