স্পোর্টস ডেস্ক
১৭তম এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে ১৯ সেপ্টেম্বর। দক্ষিণ এবার কোরিয়ার ইনচিয়নে অনুষ্ঠেয় এশিয়ার সর্ববৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ১৩টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে। অবশ্য চূড়ান্ত লড়াই শুরুর আগেই বাংলাদেশের লড়াই শুরু হচ্ছে। সোমবার এশিয়াড ফুটবলের প্রথম রাউন্ডের খেলায় শক্তিশালী আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে মামুনুল ইসলামরা।
এশিয়াডে জাপান ও কোরিয়ার মতো শক্ত প্রতিপক্ষ থাকায় লোডভিক ডি ক্রুইফের শিষ্যদের বড় কোনো লক্ষ্য নেই এই ইভেন্টটি ঘিরে। যদিও ভালো খেলতে চায় মামুনুলরা। আর হারাতে চায় অন্তত এক প্রতিপক্ষকে। এবারের এশিয়ান গেমস ফুটবলে ‘বি’গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ। যেখানে টাইগারদের প্রতিপক্ষ সাফ চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান ছাড়াও রয়েছে উজবেকিস্তান ও হংকং। এই তিন প্রতিপক্ষের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ান সেরা আফগানদের হারাতে চায় বাংলাদেশ।
সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায় আফগানদের পরীক্ষা নেবে এমিলি-জামাল হোসেনরা। এশিয়াডে এ পর্যন্ত ২০ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জিতেছে কেবলমাত্র দুটিতে। হার বাকি ১৮ ম্যাচেই । এই ২০ ম্যাচে বাংলাদেশ গোল করেছে ৭টি, খেয়েছে ৫৯টি। এশিয়াডে ধারাবাহিক ব্যর্থতার ভীড়ে সাফল্যের গল্প খুব সামান্যই। ‘সাফল্য’বলতে ১৯৮২ দিল্লি এশিয়াডে মালয়েশিয়াকে ২-১ গোলে আর ১৯৮৬ সিউল এশিয়াডে নেপালকে ১-০ গোলে হারানো।
এবারের আসরে উজবেকিস্তান নিয়ে কোনো কথা নেই বাংলাদেশের। কেননা যেকোনো বিচারেই বাংলাদেশের কাছে উত্তর এশিয়ার দেশটি এক মহা প্রতিপক্ষ। অবশ্য ২০০৭ সালে একবার হংকংকে হারানোর অভিজ্ঞতা থাকলেও গত এশিয়াডে এই দলটির কাছেই বাংলাদেশ হেরেছিল ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে। বাংলাদেশের সহজ প্রতিপক্ষ বলতে আফগানিস্তান। কিন্তু সেই দলটিও যে সাফ ফুটবলের বর্তামান চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু তাকে কি? ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখতে তো আর বাধা নেই কোনো।
এবারের সাফ গেমসের উদ্দেশ্য ঢাকা ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের এই স্বপ্ন দেখিয়েই কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলামরা। অবশ্য এবারের গেমসে বাংলাদেশর প্রথম টার্গেট দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা নিশ্চিত করাও। এজন্য দেশ ছাড়ার আগে কিছুটা প্রস্তুতিও নিয়েছে বাংলাদেশ। এখন চূড়ান্ত লড়াইয়ে নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিয়ে দেশের কোটি কোটি ফুটবল ভক্তদের মুখে হাঁসি ফোটাবে মামুনুলরা সবার এমনটাই প্রত্যাশা।

