ঢাকাSunday , 18 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগকে মাফ করতে চেয়েছিল জামায়াত: রিজভী 

Link Copied!

৫ আগস্টের পর বিএনপি নয়, জামায়াতে ইসলামীই আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, বিএনপি কখনো আওয়ামী লীগকে মাফ করে দেওয়ার কথা বলেনি। বরং যারা বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটার অভিযোগ করছে, তারাই আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিতে চেয়েছিল। তিনি বলেন, ক্ষমতার জন্য জামায়াত যেকোনো দলের সঙ্গে চলতে পারে। ইতিহাস বলে, তারাই আওয়ামী লীগের পথে হাঁটতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, জামায়াত অতীতেও ফ্যাসিবাদী আচরণ করেছে, এখনো সেই পথেই হাঁটছে। কোনো আন্দোলনেই দলটিকে আদর্শিক পথে দেখা যায়নি। রিজভী বলেন, বিএনপিকে জনগণ চেনে। দলটি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা থেকে বিচ্যুত হয় না। অন্যদিকে জামায়াত অনেক প্রতিশ্রুতি দিলেও কাজ করেছে তার বিপরীত। এ সময় জামায়াতে ইসলামীকে গণতান্ত্রিক চেতনার প্রকাশ ঘটানোর আহ্বান জানান রুহুল কবির রিজভী। রিজভী বলেন, ১৯৯৪-৯৫ সালে তত্ত্বাবধায়কে সরকার ব্যবস্থার আন্দোলনেও জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে একই পথে হেঁটেছে। ইতিহাসের এসব উদাহরণ উপেক্ষা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী প্রতিরোধের শক্তিই হচ্ছে বিএনপির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অসংখ্য নেতাকর্মীর গুপ্তহত্যার যে আত্মদান এবং স্যাক্রিফাইস, ত্যাগের মধ্যে দিয়ে এই দল তৈরি হয়েছে। গণতন্ত্র হচ্ছে তার অভীষ্ট লক্ষ্য। গণতন্ত্র হচ্ছে তার আদর্শিক চেতনা।’ জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী বলেন, গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে দলটির আদর্শিক অবস্থান কী, তা নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোতে জামায়াতের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রিজভী আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আফসার আহমেদকে বড় ভাই বলে ডাকলেও তাঁদের সম্পর্ক ছিল অনেকটা পিতা-পুত্রের মতো। তাঁর সান্নিধ্য থেকে রাজনীতি বোঝার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক কিছু শিখেছেন তিনি। সভায় বিএনপির নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী সহসম্পাদক জাহানারা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক-বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্য-বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম, যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মামুনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।