লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের সাতপাটকি এলাকায় পৈতৃক ও ক্রয় সূত্রে পাওয়া জমি জবরদখলকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় ভুক্তভোগী নূর আলম সরকার সাজু বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে লালমনিরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাতপাটকি এলাকার মোঃ নূর আলম সরকার সাজুর ক্রয়সূত্রে ৪ শতক এবং পৈতৃক সূত্রে ৫ শতকসহ মোট ৯ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে বিবাদী খোরশেদ আলী , মাহবুবুর রহমান মজনু, মোস্তাফিজার রহমান মামুন ও তাসিন অন্যায়ভাবে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৫টায় বিবাদীরা নালিশি জমিতে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করে। এতে বাদী নূর আলমের স্ত্রী মোছাঃ ফেরদৌসি বেগম বাধা দিলে বিবাদীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে ১নম্বর বিবাদী খোরশেদ আলীর নির্দেশে ২ থেকে ৪ নম্বর বিবাদীরা লাঠিসোটা নিয়ে ফেরদৌসি বেগমের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মাথায় ডাং মারধর করে গুরুতর জখম করে। স্ত্রীর চিৎকার শুনে নূর আলম এবং তার চাচাতো ভাই আশরাফুল হক বাঁচাতে এগিয়ে এলে বিবাদীরা তাদের ওপরও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায় এবং বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অপরিচিত অটোরিকশায় করে আহতদের লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। অভিযোগে নূর আলম সরকার সাজু জানান, বিবাদীরা দাঙ্গাবাজ ও ভূমিদস্যু প্রকৃতির লোক। তারা ঘটনার পর থেকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এ বিষয়ে অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। লালমনিরহাট সদর থানা সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

