ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর চায়ের দোকান ভাঙচুর করে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের ঘাগড়াপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মালিয়াটি গ্রামের রফিকুল ইসলাম ঘাগড়াপাড়া মৌজার চৌরাস্তা মোড়ে ১২২ নং বি.আর.এস খতিয়ানের ৬৯৯ নং দাগে ৩ শতাংশ জায়গা ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভোগ দখল করে আসছেন। অভিযোগ মতে, উক্ত জমি নিয়ে একই এলাকার ছানা উল্লাহ ও বিপুল মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জনের একদল লোক দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ সৃষ্টি করে রফিকুল ইসলামকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই জেরে গত ১৪ আগস্ট শুক্রবার ভোরে রফিকুল ইসলামের ভাড়াটিয়া নুরুল হক এর পরিচালিত টিনের তৈরি চায়ের দোকানে হামলা চালায় তারা। দোকান ভাঙচুরে বাধা দিলে বিবাদীরা অস্ত্র উঁচিয়ে নুরুল হককে প্রাণনাশের হুমকি দেয় ও খুনের উদ্দেশ্যে তাড়া করে। জীবন রক্ষায় নুরুল হক ডাক চিৎকার দিয়ে দৌড়ে নিজ বাড়িতে আশ্রয় নেন। এসময় বিবাদীরা রামদা ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে পুরো চায়ের দোকানটি মাটির সাথে গুঁড়িয়ে দেয়। ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ক্রয়কৃত ও দখলীয় ভূমিতে থাকা চায়ের দোকানটি বিবাদীরা অন্যায়ভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে ভেঙে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। আমাকে ও আমার ভাড়াটিয়াকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছানা উল্লাহ জানান, ভাঙচুরের ঘটনা স্বীকার করে বলেন,বিরোধপূর্ণ জায়গাটি ছফির উদ্দিনের মেয়ে হোসনে আরার কাছ থেকে ২০২৫ সালে ক্রয় করেছেন। এবং নিজের ক্রয়কৃত জায়গার দখল বুঝে নিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য নয়ন মিয়া জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে যেহেতু প্রশাসনের কাছে অভিযোগ গিয়েছে। আমি আশা করি প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আজম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

