নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেল মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে অঙ্গীকারাবদ্ধ, এদেশের উন্নয়ন আমরা নিশ্চিত করতে চাই। রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার আমুল পরিবর্তন করতে চাই, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই, জন আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করতে চাই। এটাই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি।
তিনি বলেছেন, মোংলা নদীর উপর ১০ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নে পরিকল্পনা রয়েছে। মোংলার বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে অক্টোবরে কাজ শুরু হবে। এতে এখানকার ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
তিনি আরো বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে আকরাম পয়েন্টে এলএনজি ষ্টেশন করা হবে। সেখান থেকে ২৩ কিলোমিটার পাইপলাইন টেনে গ্যাস মোংলায় আনা হবে। এরপর মোংলায় সেই গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র করা হবে। চিটাগং বন্দরকে আমরা (মোংলা বন্দর) ছাড়িয়ে যেতে চাই। সেই উদ্যোগ সরকার নিয়েছে। মোংলা বন্দরে নতুন জেটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মোংলা বন্দরে কোল্ড স্টোরেজ করা হবে, মোংলা ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল হাব হবে। এই সকল প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে সরকার।
রবিবার বিকেলে মোংলার স্থায়ী বন্দর বাস স্ট্যান্ডে পৌর বিএনপির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। নৌপরিবহন মন্ত্রীর মোংলায় আগমন উপলক্ষে তাকে এ সংবর্ধনার আয়োজন করেন মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী।
এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সমন্বয়ক এম,এ সালাম, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান তুহিন, মোল্লারহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান, ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শরিফুল কামাল কারিম।

