গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকার ১৭বছরে দেশ ধ্বংসের সাথে ধ্বংস করে সবুজ বিপ্লব। সবুজ বিপ্লবের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে পালিয়েছে। বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে ৫বছরে দেশে ২৫কোটি গাছ রোপন করে দেশকে সবুজ বিপ্লব গড়ে তুলার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সবুজ বিপ্লব বাংলাদেশ গড়া নিয়ে নানান পরিকল্পনা রয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকাল ৪টায় লালমনিরহাটের কালেক্টরেট মাঠে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন ও লালমনিরহাট বন বিভাগের আয়োজনে “বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে লালমনিরহাট জেলা বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান-এঁর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান, লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু ইমাম মোঃ রাশেদুন্নবী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরেফিন, সামাজিক বন বিভাগ রংপুর বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুল হাকিম, নার্সারি মালিক রাসেল ভুঁইয়া প্রমুখ। এ সময় অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেন, সবুজ বাংলাদেশে কোন সরকারী অফিসের কর্মকতা-কর্মচারী ঘুষ বাণিজ্য ও দূর্নীতি করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে দুনীতিবাজদের বিরুদ্ধে। মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি আরও বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অধিক পরিমাণে বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই। গাছ শুধু লাগালেই হবে না। তার পরিচর্যা করতে হবে। সব কাজে চ্যালেঞ্জ থাকবেই। সেই চ্যালেঞ্জকে কাটিয়ে উঠতে হবে। গাছের ফলমূল খেলে শরীর সুস্থ থাকবে। বাচ্চারা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই তাদেরকে গাছের বিষয়ে জানাতে হবে। এরপর স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত জাতের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। মেলায় ৩০টি স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। পরে লালমনিরহাটের ৭২জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ১৫ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

