শনিবার (৫ জুন) রাতে নিজের গাড়িতে হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসে বক্তব্য দেন মদন মিত্র/ ছবি: এক্স (সাবেক টুইটার) থেকে সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র’র গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা ও পচা ডিম ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদর বিরুদ্ধে। এর আগে গত ৩০ মে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জীর গায়ে পচা ডিম ছোড়া হয়।
এদিকে, গাড়িতে ডিম ছোড়ার সঙ্গে সঙ্গে মদন মিত্রকে উদ্দেশ্য করে চোর-চোর স্লোগানও দেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। শনিবার (৫ জুন) রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কামারহাটি পৌরসভার চৌদ্দ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কামারহাটি পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের ওপর হামলা চালান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে যান কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তার গাড়ি দেখেই চড়াও হন বিজেপির লোকজন। সেসময় তারা গাড়িটি লক্ষ্য করে ইট ও পচা ডিম ছোড়েন।
এই হামলার পর শনিবার (৬ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে মদন মিত্র জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে কামারহাটির কয়েকজন কর্মী আমাকে জানান, ২৩০ নম্বর বাসের মালিকরা আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন। এছাড়াও দুজন উকিল মামলার বিষয়ে কথা বলতে এসেছেন। আমি তাদের জানাই, আমি দক্ষিণেশ্বর ভবতারিণী মন্দিরের পাশে ব্লক অফিসে যাবো। ঠিক সেসময় জানতে পারি, প্রায় দেড়শো ছেলে ওই এলাকা ঘিরে রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, গুপ্তি ও ছুরি নিয়ে আমার ওপর হামলা করা হয়। কোনোক্রমে স্থানীয় নারীদের সহযোগিতায় রক্ষা পাই। হামলায় পাথর ও রডও ব্যবহার করা হয়েছে। আনোয়ার খান নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে এই হামলা চলেছে।
মদন মিত্র’র দাবি, কামারহাটির সবচেয়ে বড় ‘খুনি’ আনোয়ার আগে আমাদের সঙ্গেও মিশতেন। কিন্তু তিনি যখন যেমন, তখন তেমন হয়ে যেতেন।
এদিকে, এ বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, মদন মিত্র নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য এ ধরনের নাটক করেছেন। কিছুই ছিল না, কিছুই হয়নি। তিনি ভেবেছিলেন, ‘ক্রিমিনাল’ আনোয়ারকে দিয়ে এটা করালে বিজেপির থেকে কিছু সাহায্য পাবে। বিজেপি এসব কাজের ওপর বিশ্বাসও করে না ও মদন মিত্রকে নিয়ে চিন্তাও করে না।

