ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
শহরের ডক্টরস ক্লিনিকে সিমেন (স্পাম) পরীক্ষা করতে এসে স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন- মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বগুড়া গ্রামের ঝন্টু ফকিরের ছেলে জুয়েল হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন (২৬)।
ডক্টরস ক্লিনিকের মালিক হামিদুন্নেছা পাখি জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জুয়েল হোসেন ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন ক্লিনিকে আসেন। তারা জানান, গত ৫-৬ বছর আগে বিয়ে হলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। এ সময় তাদের স্পাম পরীক্ষার পরামর্শ দেয়া হয়।
তিনি জানান, তারা সিমেন পরীক্ষা করাতে চাইলে ইন্টারকোর্সের জন্য ক্লিনিকের একটি কক্ষে কৌটাসহ তাদের পাঠানো হয। প্রায় দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেলে ক্লিনিকের ওয়ার্ড বয় কলিমুদ্দিন দরজা ভেঙে উভয়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
তবে পুলিশ বলছে, স্ত্রী নাসরিনের মৃতদেহ ক্লিনিকের ওই কক্ষের বেডের উপর ছিল আর স্বামী জুয়েল হোসেনের মৃতদেহ মেঝেতে পড়েছিল।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের সহকারী পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি রহস্যজনক। মৃতদেহ দুটির ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর মূল কারণ জানা যাবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জেলার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

