ঢাকাTuesday , 19 August 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওষুধের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস: এই প্রথমবার ওষুধের দাম কমানো হলো

Link Copied!

ওএসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) তাদের উৎপাদিত ৩৩টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম কমিয়েছে, যা সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। এসব ওষুধের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক, নিউমোনিয়া, সর্দি-জ্বর, উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক আলসার, ব্যথানাশক, হাঁপানি, কৃমিনাশক ও ভিটামিনজাতীয় ওষুধ। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন শাখার নথি অনুসারে, এই প্রথমবার ওষুধের দাম কমানো হলো। আগামী সপ্তাহে আরও পাঁচটি ওষুধের মূল্য কমানো হতে পারে। উল্লেখযোগ্য মূল্য হ্রাসের মধ্যে রয়েছে: মন্টিলুকাস্ট ট্যাবলেট: ১০.৬৭ টাকা থেকে ৫ টাকা, ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল: ২.৭৫ টাকা থেকে ২.৭০ টাকা, কেটোরোলাক ইনজেকশন: ৩০ থেকে ২৩ টাকা, অনডানসেট্রন ইনজেকশন: তিন টাকা হ্রাস, সেফট্রিয়াক্সোন ইনজেকশন: ১১৫ থেকে ৯০ টাকা, সেফটাজিডিম ইনজেকশন: ১৫০ থেকে ১০০ টাকা, মেরোপেন ইনজেকশন: ৪৫০ থেকে ৩৪৩ টাকা, ইসোমিপ্রাজল ইনজেকশন: ১০ টাকা কম, ওমিপ্রাজল ইনজেকশন: ৬৪ থেকে ৫২ টাকা, গ্রামীণ ক্লিনিকের তালিকাভুক্ত ৩২টি ওষুধের মধ্যে ২২টির দাম কমানো হয়েছে। যেমন: অ্যান্টাসিড ট্যাবলেট: ৬৮ পয়সা, প্যারাসিটামল ট্যাবলেট: ১.১১ টাকা, সালবিউটামল ট্যাবলেট: ১৭ পয়সা, অ্যালবেনডাজল ট্যাবলেট: এক টাকা হ্রাস, ক্লোরামফেনিকল আইড্রপ ও প্যারাসিটামল সাসপেনশন: তিন টাকা হ্রাস, অ্যামলোডিপিন ও মেটফর্মিন ট্যাবলেট: উল্লেখযোগ্য হ্রাস ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামাদ মৃধা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ইডিসিএলের যৌথ উদ্যোগে ওষুধের দাম পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। সিন্ডিকেট ভাঙার ফলে দরপত্রে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, কাঁচামালের দাম কমেছে, কর্মদক্ষতা বেড়েছে, ফলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। এই প্রক্রিয়ার ফলে আগের বছরের তুলনায় ৫৯ কোটি টাকার বেশি ওষুধ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ও ডেল্টা ফার্মার এমডি ডা. মো. জাকির হোসেন বলেন, বেসরকারি ও সরকারি ওষুধ কোম্পানির মধ্যে তুলনার সুযোগ নেই। কারণ ইডিসিএলের বিপণন খরচ নেই, কাঁচামাল বা নতুন পণ্যের জন্য অতিরিক্ত বিনিয়োগ করতে হয় না এবং তাদের ক্রেতাও নির্দিষ্ট থাকে। ফলে বেসরকারি কোম্পানির পক্ষে একইভাবে দাম কমানো সম্ভব নয়। জনস্বাস্থ্যবিদরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যদি সরকার ইডিসিএলের মতো দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে, তাহলে সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে।