ঢাকাSaturday , 10 August 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজধানীতে চাঁদা না দেয়ায় হামলা-মারধর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

Link Copied!

রাজধানীর লালমাটিয়ায় ‘লালমাটিয়া ক্লিনিং সার্ভিস’র স্বত্বাধিকারী গোলাম নোমানী মামুনের কাছে ৬ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছে স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্তরা। দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় মামুনের বাড়িঘরে হামলাসহ তার কর্মচারীদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে লালমাটিয়া গার্লস স্কুলের সামনে স্থানীয় জনগণের ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ভুক্তভোগী কর্মচারীরা।
আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে লালমাটিয়া ক্লিনিং সার্ভিসের কর্মচারী মো. সাফায়েত বলেন, গত বৃহস্পতিবার আমি লালমাটিয়া ডি-ব্লকের একটি বাসায় ময়লা আনতে গিয়েছিলাম। রাস্তায় বের হয়ে দেখি বেশ কয়েকজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। তারা সকলেই জাহিদের পোলাপান। আমি তাদের পাশ কাটিয়ে হাঁটা শুরু করলেই তারা আমাকে মারধর শুরু করে। বলেন, আজ থেকে তোরা আর এই এলাকায় কাজ করতে পারবি না। কাজ করতে হলে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। লালমাটিয়া ক্লিনিং সার্ভিসের আরেক কর্মচারী মো. নুরুল হক বলেন, সাফায়েতকে মারধরের দিন আমাদের অনেক সহকর্মীকেই তারা বেধড়ক পিটিয়েছে। আমার গায়েও হাত দিয়েছে।
তিনি বলেন, আমি সেদিন গার্লস স্কুলের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন এক বাড়িওয়ালা আমাকে ফোন করেন তাদের বাসার ময়লা নেয়ার জন্য। আমি ফোনে কথা বলার সময়ই জাহিদের লোকজন আমাকে এসে বলে, এই তুই কার সঙ্গে কথা বলছিস। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে কয়েকজন আমাকে মারধর শুরু করে। অনেক বার বলেছি, আমাকে মারধর করেন না। তারা কোনো কথা শোনেনি। তারা বলে, ৬ লাখ টাকা ছাড়া কাল থেকে কেউ এলাকায় ঢুকবি না। এর কিছুক্ষণ পরই এক বিশাল মোটরসাইকেল মহড়া দেয় তারা। সেই মোটরসাইকেল মহড়া থেকেই আমাদের মালিক মামুন ভাইয়ের বাড়ির সামনে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ করে তারা। তার বাড়ির গেটেও ভাঙচুর চালানো হয়। তিনি বলেন, আমরা ৩০ থেকে ৪০ জন লোক গত ২৫ বছর ধরে এই এলাকায় কাজ করে আসছি। কোনো দিনও এই সমস্যার সম্মুখীন হইনি। এখন চাঁদা দাবি করে আমাদের কাজ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। আমাদের এই রুটি-রুজি বন্ধ হয়ে গেলে আমরা বৌ-বাচ্চা নিয়ে কোথায় যাবো? কি খাবো? আমরা এই চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে লালমাটিয়া ক্লিনিং সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী গোলাম নোমানী মামুন বলেন, আমি গত ২৫ বছর ধরে সিটি করপোরেশনের আন্ডারে বৈধভাবে লালমাটিয়া এলাকায় ক্লিনিংয়ের কাজ করছি। আমার সকল ডকুমেন্টস রয়েছে। কখনো কেউ আজ পর্যন্ত এমন ব্যবহার করেনি। এখন চাঁদা দাবি করে আমার কাজ বন্ধ করে দেয়ার পাঁয়তারা চলছে। তিনি বলেন, আমার এই কাজের ওপর অর্ধশত গরিব মানুষের পরিবার নির্ভরশীল। আমার ক্লিনিংয়ের কাজ বন্ধ হয়ে গেলে তারাও না খেয়ে মরবে। আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিচার চাই। আমরা শান্তিতে কাজ করতে চাই।