জয়পুরহাটে ডাকাতির পর অসীমা রানী হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সেই সাথে ১৪ জনকে খালাস দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভিটিসহ আশপাশের গ্রামের শামছুল হুদা ওরফে হুদা, মো: মিজান, মোঃ বাবু, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মুক্তাদির, মোঃ সবুর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট আদালতের সরকারি কৌসলি নৃপেন্দ্র নাথ মন্ডল পিপি। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৯ আগস্ট রাতে অসীমা রানী মন্ডল রাতের খাবার খেয়ে তার নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কয়েকজন ডাকাত তার ঘরের দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় ডাকাতরা অসীমা রানী মন্ডলকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। ডাকাতরা নগদ অর্থ, স্বর্ণ, মোবাইল ফোনসহ প্রায় ২ লাখ ৯২ হাজার টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। অসীমা রানী মন্ডলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে তৎকালীন কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ওই ঘটনায় নিহতের স্বামী উৎপল কুমার মন্ডল বাদী হয়ে ২০০৮ সালের ৩০ আগস্ট জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) আদালতের বিচারক এ রায় দেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নৃপেন্দ্র নাথ মন্ডল পিপি। আর আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মনিরুজ্জামান হিরন।

