ঢাকাSaturday , 26 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে

Link Copied!

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে বাঁধ মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ম্যুরাল নির্মাণে ব্যয়ের অভিযোগ তুলে পুনঃলিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে অভিযোগের বিষয়ে ১৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে লিখিতভাবে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে এর আগে ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর একটি লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। ওই নোটিশে তাঁর বিভিন্ন সময়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ তুলে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলেও দীর্ঘ সময় পরও অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা বা দৃশ্যমান নিষ্পত্তি পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

পুনঃলিগ্যাল নোটিশে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্ব পালনকালে বাঁধ মেরামতের জন্য বরাদ্দ অর্থ ব্যবহার করে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে। যশোর, কক্সবাজার ও সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের ব্যয় করা হয়েছে বলেও নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

নোটিশদাতার অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ম্যুরাল নির্মাণের জন্য কোনো সরকারি নির্দেশনা বা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনুমোদিত প্রকল্প না থাকা সত্ত্বেও বাঁধ মেরামত, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য বরাদ্দ অর্থ অন্য কাজে ব্যয় করা হয়ে থাকলে তা গুরুতর প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের শামিল।

এতে আরও অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট বাঁধ মেরামতের অর্থ অন্যত্র ব্যয় হওয়ায় কিছু মেরামতকাজ আংশিকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। এর ফলে পরবর্তী বন্যা মৌসুমে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ অতিরিক্ত ঝুঁকির মুখে পড়েন এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, দপ্তর চত্বরে ম্যুরাল নির্মাণের কারণে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতে সরকারি স্থাপনা ও সম্পদের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বক্তব্য নোটিশে উল্লেখ করা হয়নি।

নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্বের লিগ্যাল নোটিশের বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা এবং বর্তমান নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অগ্রগতি লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবহিত না করা হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালত বা উপযুক্ত ফোরামে যাওয়ার কথাও নোটিশে বলা হয়েছে।