সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া এইচ টি ইমাম গার্লস স্কুলে এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্কুল এন্ড কলেজের ফান্ড ও ৭০জন শিক্ষক কর্মচারীদের ভবিষ্যৎতহবিল (প্রভিডেন্টফান্ড) এর টাকা সহ প্রায় ৭ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের দায়ের করা অভিযোগ সুত্রে জানা যায়।উল্লাপাড়া সমবায় সমিতির জায়গা স্কুল এন্ড কলেজের নামে ক্রয় করার কথা বলে স্কুল এন্ড কলেজের ফান্ড থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা তুলে নেন ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে, এ ছাড়াও তিনি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকুরি হারানোর ভয় দেখিয়ে তাদের জমানো প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা উল্লাপাড়া ইউ সি,বি ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেন। শিক্ষকরা জানান, তাদের কে চেকে টাকার অংক নাবসিয়ে চেক স্বাক্ষর করে ইচ্ছে মত টাকা তুলেনেন অধ্যক্ষ। এই টাকার পরিমান প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ২০০৯ ইং সালে শেখ হাসিনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি পায়ের নিচে রাখার অপরাধেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এর পর সে ৭ বছর চাকুরি থেকে বরখাস্ত ছিল। পরে স্থানীয় নেতাদের ধরে আবার চাকুরিতে বহাল হন।চাকুরিতে বহাল হয়ে দীর্ঘ দিনের পুরাতন হামিদা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের নাম পরিবর্তন করে সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর ইমামের একান্ত খায়ের খাবনে যান।মরহুমসাবেকসংসদ সদস্য আব্দুললতিফমির্জাযদিওহামিদা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাথে কলেজটি বর্ধিত করেন।জানাযায় অধ্যক্ষর নিয়োগটি ছিল অবৈধ। উকিল আবদুল রশিদ চাঁদ তার অবৈধ নিয়োগের ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। জেলা প্রশাসক তদন্ত করে সিরাজুল ইসলামের নিয়োগ অবৈধ বলে কমিটি কে চিঠি দেন। শিক্ষা বোর্ড তদন্ত করে তার নিয়োগ অবৈধ বলে জানান। এর পর সিরাজুল ইসলাম প্রভাবশালী নেতাদের ধরে মোটা অংকের ঘুসের বিনিময়ে তাদের ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে থেকে যান। এরপর থেকে তার সেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি অসৎআচার-আচরণ টাকা আত্মসাৎবেড়েযায়। উল্লেখ্য সমবায়ের জায়গা লিজ নেওয়ার বিধান রয়েছে। বিক্রির কোন বিধান নেই জাল কাগজপত্র তৈরি করে স্কুল এন্ড কলেজের টাকা লোপাট করা, শিক্ষকের টাকা আত্মসাৎকরা সর্বপরি প্রায় ৭০ জন শিক্ষক কর্মচারীর প্রায় ৩ কোটি ৫০লক্ষ টাকা আত্মসাৎকরে জমি ক্রয়ের নামে। এ সকল অভিযোগ সিরাজুল ইসলাম অস্বীকারকরেন।

