ঢাকাWednesday , 3 July 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এলজিইডি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়!

এম আর সুমন
July 3, 2024 10:32 pm
Link Copied!

সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করলেও তা কোন ক্রমেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) কঠোর অবস্থানে। সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে দুদক। অবশ্য এ নিয়ে দুর্নীতিবাজদের মাথা ব্যথা নেই।সর্বত্র তারা বেপরোয়া। বালিশকাণ্ড, ছাগলকাণ্ড, ক্যাসিনো কাণ্ড, রিসোর্টকাণ্ডসহ নানা আলোচিত ঘটনা সামনে এলেও রাষ্ট্রীয় অনেক সংস্থায় লুকিয়ে থাকা দুর্নীতিবাজরা এখনও সক্রিয়। কোনভাবেই লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না তাদের। দোর্দণ্ড প্রতাপশালী এসব দুর্নীতিবাজদের কারণে সরকারের অর্জিত সুনাম ভেস্তে যেতে বসেছে।গিলে খাচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ।নিজেরা একদিকে যেমন অবৈধ সম্পদের মালিক হচ্ছেন, তেমনি স্বজনদের নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছেন। এ তালিকায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সামান্য বেতনভুক্ত কর্মচারিরাও পিছিয়ে নেই।বলতে গেলে কর্মকর্তা কর্মচারি মিলেই গিলে খাচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ।একজন দুর্নীতিবাজ ও স্বেচ্ছাচারি প্রকৌশলীকে নিয়ে দৈনিক পাঞ্জেরীর আজকের প্রতিবেদন। উক্ত দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী নানাভাবে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে মূল কর্মস্থলে কাজ না করে অন্য একটি উইংয়ে এক যুগেরও বেশি দায়িত্ব পালন করছেন।তবে এ নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যথা নেই।ঐ প্রকৌশলীর দাপটে উক্ত উইংয়ের অন্যান্যরা থাকেন তটস্থ। তার চোখে মুখে হিংস্রতার ছাপ।মুখে প্রায়ই গালিগালাজ শোনা যায়।যে কারণে ঝামেলা এড়ানোর জন্য সবাই তার অমানবিক আচরণ মুখ বুঝে সহ্য করেন।তিনি কাউকে পাত্তাও দেন না।তার সঙ্গে এলজিইডির উর্ধ্বতন প্রকৌশলীদের গভীর সখ্যতা কারও অজানা নয়। যে কারণে তিনি আরও বেপরোয়া।এই প্রকৌশলীর নাম জহির মেহেদী পারভেজ। তিনি এলজিইডির সদর দপ্তরে বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয় কেন্দ্র প্রকল্পের (এমডিএসপি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী। তার মূল কর্মস্থল এমডিএসপিতে। তিনি সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমানের এক আদেশে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের ‘যানবাহন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ’ শাখায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।এই শাখায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি এখন কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।অবৈধ সম্পদের পাহাড় এবং উচ্চপদস্থ প্রকৌশলীদের সঙ্গে তার সুগভীর সখ্যতার কারণে এখন তার টিকিটি স্পর্শ করা যাচ্ছে না।তার গালিগালাজে অনেকেই আতঙ্কে থাকেন। তিনি দুটি প্রকল্পের গাড়ী রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কাজ তদারকি করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কেনাকাটার বিল ইচ্ছেমত তৈরি করেন । সূত্র জানায়, শতাধিক গাড়ীর যন্ত্রাংশ ক্রয়ের ক্ষেত্রে কারও কাছে জবাবদিহি করতে হয় না তাকে। তিনি বিল ভাউচারও নিজেই প্রস্ত্তত করেন। নিজের পছন্দের প্রতিষ্ঠান জেভি এন্টারপ্রাইজের অনুকূলে কোটি কোটি টাকার বিল উত্তোলন করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।আগামী নভেম্বরে অবসরে যাবেন তিনি।সূত্র জানায়, রাজধানীর আদাবর এলাকায় অবস্থিত ঢাকা উদ্যানে তার রয়েছে কোটি টাকা দামের ফ্ল্যাট।এছাড়াও গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায় বিঘার পর বিঘা ধানি জমি ক্রয় করেছেন।নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন তিনি।তার স্ত্রীও কুষ্টিয়া এলজিইডিতে কর্মরত।প্রভাব খাটিয়ে স্ত্রীকেও প্রেষনে এলজিইডির সদর দপ্তরে নিয়ে এসেছেন।সচেতন মহল বলছেন, সুশাসনের অভাবেই জহির মেহেদী পারভেজদের বলয় থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না।উক্ত দুর্নীতিবাজ ও স্বেচ্ছাচারি উপ সহকারি প্রকৌশলী জহির মেহেদী পারভেজের অতিরক্তি দায়িত্বের আদেশ বাতিলের দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।অভিযুক্ত উপ সহকারি প্রকৌশলী জহির মেহেদী পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এই প্রতিবেদককে অফিসে যেতে বলেন।প্রতিবেদক অফিসে গেলে তাকে বসিয়ে রেখে তিনি অন্যত্র চলে যান। তিনি মোবাইল ফোনে তার বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন।তবে অতিরিক্ত দায়িত্বের কথা তিনি স্বীকার করেন।