নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের চীফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। চাকরিতে যোগদান চতুর্থ গ্রেডের নটিক্যাল সার্ভেয়ার অ্যান্ড এক্সামিনার হিসেবে। যোগদানের তারিখ: ১১ নভেম্বর ২০১২ খ্রি:। যখন যোগদান করেন তখন তার বয়স হয়ে যায় ৪২ বছর। নৌ-পরিবহন অধিদফতরে মাত্র ১৩ বছরের চাকরি জীবনে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। ঢাকা ও গ্রামের বাড়িতে বিপুল বিত্তবৈভব। রয়েছে রেস্টুরেন্ট ব্যবসাসহ একাধিক বেনামী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। দেশের বাইরেও করেছেন সম্পদ। ক্যাপ্টেনশিপ পরীক্ষায় চুক্তিভিত্তিক পাস করিয়ে দেয়া, জাহাজের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির মাস্টারশিপ এবং ড্রাইভারশিপ পরীক্ষা, তৃতীয় শ্রেণির মাস্টারশিপ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সার্টিফিকেট ইস্যুসহ প্রতিষ্ঠানের নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি হাতিয়েছেন কোটি কোটি টাকা । স্বীয় অনুগত প্রকৌশলী রাশেদী, আব্বাস, সাগর, কমলেশ ও বাট্টু তুষারের মাধ্যমে তিনি এ ঘুষ নেন। অভিযোগ রয়েছে, এই কর্মকর্তা নৌপরিবহন অধিদফতরে বসান ঘুষের হাট। বহুল বিতর্কিত এই কর্মকর্তা আর কেউ নন। দুর্নীতি প্রবণ খাত হিসেবে চিহ্নিত নৌ-পরিবহন অধিদফতরের চীফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন গিয়াসউদ্দিন আহমেদ। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার ওপর অনুসন্ধান চালায় দীর্ঘ দিন। তবে দাখিলকৃত প্রতিবেদনে তাকে আবারও দায়মুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে। তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের।

