নড়াইল ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অবহিতকরণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনসচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নড়াইলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল, জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দিলারা জামান, জেলা চেম্বারের অব কমার্সের সভাপতি হাসানুজ্জামান, সাংবাদিক কাজী হাফিজুর রহমান, নড়াইল জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আজিজুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু প্রমুখ। সেমিনারে বক্তারা বলেন, ওষুধের মূল্য এক এক জায়গায় এক এক রকম নেওয়া হয়। নড়াইল শহরের চৌরাস্তায় যে ওষুধের মূল্য ২০ টাকা, রুপগঞ্জ বাজারে সেই ওষুধের মূল্য ১৭ টাকা আর হাসপাতালের সামনে সে একই ওষুধের মূল্য ১৫ টাকা নেওয়া হয়ে থাকে।
এছাড়া ওষুধ ফার্মেসিগুলোতে রেজিস্ট্রি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই এন্টিবায়োটিক বিক্রি করা হয়ে থাকে। এন্টিবায়োটিক বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ২০৫০ সালে পরে এন্টিবায়োটিকে মানুষের শরীরে কোনো কাজ করবে না বলেও জানানো হয়। বক্তারা বলেন, ভোক্তা অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় আমরা প্রতারিত হচ্ছি।
এছাড়া ব্যবসায়ীরা কমমূল্যে পণ্য কিনে তাদের ইচ্ছামতো অধিকমূল্যে বিক্রি করছে। ব্যবসায়ীদের কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাদের ইচ্ছামতো পণ্যের দাম নিচ্ছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি বলে জানান বক্তারা।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমরা যেসব পণ্য বিক্রি করে থাকি তা অন্য যায়গা থেকে কিনে আনতে হয়। আমাদের বেশি দামে কিনে এনে সামান্য লাভে বিক্রি করে থাকি।
প্রতারিত হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করার জন্য জানান সংশ্লিষ্টরা। সেমিনারে সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

