ঢাকাSunday , 28 July 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ব্রুড ব্যাংক প্রকল্পের সহায়তায় ৫৭ বছরের রেকর্ড ভেঙে রেণু উৎপাদন শুরু

Link Copied!

মেহেরপুর সংবাদদাতা : দীর্ঘ ৫৭ বছরের রেকর্ড ভেঙে প্রথমবারের মতো রেণু পোনা উৎপাদন শুরু হয়েছে মেহেরপুর মৎস্যবীজ খামারে।
অত্যাধুনিক আয়রন রিমোভাল প্লান্ট ও দক্ষ জনবল পেলে এখান থেকেই জেলার সিংহভাগ রেণু পোনার চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন খামার ব্যবস্থাপক।
জানা যায়, মেহেরপুর মৎস্যবীজ খামারের প্রতিষ্ঠা ১৯৬২ সালে। জেলার মাছচাষিদের রেণু পোনার চাহিদা মেটাতে সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এ খামারটি। এরপর কেটে গেছে ৫৭ বছর, কিন্তু দীর্ঘ এই সময়েও সম্ভব হয়নি রেণু পোনা উৎপাদন। পুকুরে পানি না থাকা ও পানিতে অত্যাধিক আয়রনের উপস্থিতির কারণে রেণু উৎপাদন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে বছরের পর বছর পুকুরগুলো ভরাট হতে থাকে। সম্প্রতি ব্রুডব্যাংক প্রকল্পের আওতায় পুকুরগুলো সংস্কার করে পলিথিন ব্যবহারের মাধ্যমে পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়।
মেহেরপুর মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার ব্যবস্থাপক ড. আসাদুজ্জামান মানিক বলেন, একটি ছোট আকারে আয়রন রিমোভালপ্লান্ট বসিয়ে চলতি বছরে ৫৬ কেজি রুই, মৃগেল, কাতলা মাছের রেণু উৎপাদন করা হয়েছে। পদ্মা নদী থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে পুরুষ ও মা মাছ। পূর্ণাঙ্গভাবে রেণু উৎপাদনে যেতে হলে প্রয়োজন দক্ষ জনবল ও একটি অত্যাধুনিক আয়রন রিমোভালপ্লান্ট।
মেহেরপুরের মৎস্যচাষি বিপুল হালদার, আতাউল ইসলাম ও সৌরভ হোসেন জানান, জেলায় পর্যাপ্ত হ্যাচারি না থাকায় এখানকার মৎস্যচাষিদের রেণু সংগ্রহের জন্য যেতে হয় ঝিনাইদহ, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। অনেক সময় রাস্তায় মারা যায় রেণু পোনা। এ খামারে রেণু উৎপাদন শুরু হওয়ায় খুশি মৎস্যচাষিরা।
আরেক মৎস্যচাষি আবুল হোসেন বলেন, জেলায় সবচাইতে বেশি চাষ হয় মনোসেক্স ও পাঙ্গাসের। সরকারিভাবে এসব রেণু উৎপাদনেরও দাবি করেন তিনি।
মেহেরপুর জেলা মৎস কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া জানান, রেণুর উৎপাদন বাড়ানোর জন্য দক্ষ জনবল ও একটি আধুনিক আয়রন রিমোভাল প্লান্টের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জনানো হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ জেলার মৎস্যচাষিরা রেণু উৎপাদনে সুফল বয়ে আনবে বলে আশাবাদি তিনি।