ঢাকাTuesday , 3 April 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংসদ সদস্য বিএইচ হারুনকে দুদকে তলব

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১৩৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালক বজলুল হক হারুনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের উপ-পরিচালক শামসুল হকের সই করা চিঠি মঙ্গলবার পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বিএইচ হারুনকে আগামী ১১ এপ্রিল দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। বিএইচ হারুন ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালক।
বিএইচ হারুনের বিরুদ্ধে ১৩৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের গ্রাহক মেসার্স রুমী এন্টারপ্রাইজের মালিক ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান। দুদকে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, তার ব্যাংক হিসাব থেকে ব্যাংকটির পরিচালক এমপি বিএইচ হারুন অন্য কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ওই অর্থ সরিয়ে নিয়েছেন।
এসব অর্থ দিয়ে সংসদ সদস্য হারুন ব্যাংকের দেনা, প্রিমিয়ার ব্যাংকসহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রয়, বনানী ও বারিধারায় বহুতল ভবন নির্মাণ, তার বড় ছেলেকে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালক করা, দুটি জাহাজ ক্রয়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি প্লট ক্রয় ও চারটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ নানা খাতে ব্যয় করেছেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৭ সালে জুলাইয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
শামসুল আলমের নেতৃত্বে দুই সদস্যের অনুসন্ধান দলের অপর সদস্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।
অভিযোগে আরো বলা হয়, সৌদি সরকারের সাহায্যে ২০০৮ সালে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ১৫ হাজার ঘর নির্মাণে ২০৪ কোটি টাকার কাজ পান তিনি। তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ছিল প্রিমিয়ার ব্যাংকের বংশাল শাখায়। সিডর এলাকায় কাজ চলাকালে ব্যাংকে জমা হওয়া ২০৪ কোটি টাকার মধ্যে ২৯৭টি চেকের মাধ্যমে ৭০ কোটি টাকা উত্তোলন করেন তিনি। কাজ শেষে বাকি ১৩৪ কোটি টাকা তোলার জন্য বংশাল শাখায় গেলে তৎকালীন শাখা ম্যানেজার সামসুদ্দিন চৌধুরী তাকে জানান, তিনি (গ্রাহক খলিলুর রহমান) সব টাকা তুলে নিয়ে গেছেন এবং হিসাবও বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর তিনি দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করেন।
অর্থ আত্মসাতের সময় বিএইচ হারুন প্রিমিয়ার ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।