লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : অপহরণের ছয় মাস পর ফিরে আসা লক্ষ্মীপুরের রাকিবুল হাসান রকি জানিয়েছেন, সব সময় তাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে রাখা হতো। চোখ বাঁধা অবস্থায় একটি ছোট্ট ঘরে ফেলে রাখতো। শুধু বাথরুমে যাওয়ার সময় ও খাওয়ার সময় খুলে দেওয়া হতো। তবে তারা তাকে নির্যাতন করেনি।
অপহরণের ৬ মাস পর রোববার ভোরে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাগবাড়ি এলাকায় হাত ও চোখ বাঁধা অবস্থায় রাকিবুল হাসান রকিকে ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা। পরে এক রিকশাচালক তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। রকি পৌর শহরের শিল্পী কলোনী এলাকার মো. তোফায়েল আহমদের ছেলে ও স্থানীয় ইসলামীয়া মর্টস এর মার্কেটিং অফিসার।
রাকিবুল হাসান রকি বলেন, ‘সব সময় আমাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে রাখা হতো। চোখ বাঁধা অবস্থায় একটি ছোট্ট ঘরে ফেলে রাখা হতো। শুধু বাথরুমে যাওয়ার সময় ও খাওয়ার সময় খুলে দেওয়া হতো। তারা কোনো নির্যাতন করেনি।’ তবে কোথায় রাখা হয়েছিল এবং কারা তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
রকি ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর শহরের পুরাতন আদালত রোড এলাকায় রকি ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন। এ সময় পানি পান করতে সে পাশের একটি হোটেলে ঢুকলে ৭-৮ জন ব্যক্তি তাকে একটি মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন সকালে রকির বাবা সদর থানায় একটি জিডি করেন।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বলেন, কে বা কারা রকিকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল তা বলতে জানি না। তবে শুনেছি রকি ফিরে এসেছেন।

