ঢাকাSunday , 19 March 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইসলামাবাদে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালিত

Link Copied!

Sheikh_Mojibur_Rahmanনিজস্ব প্রতিবেদক : যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও মর্যাদায় ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবস পালিত হয়েছে।
শনিবার দেশটির দূতাবাসের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার এ উপলক্ষে চ্যান্সারি প্রাঙ্গণ সাজানোসহ সন্ধ্যায় ভবন আলোকসজ্জিত করা হয়।
দিবসটি পালন উপলক্ষে সন্ধ্যায় চ্যান্সারিতে এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানমালার সূচনা হয়।
পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসান বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। হাইকমিশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকবৃন্দ এবং শিশুরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে হাইকমিশনার শিশুসহ সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জন্মবার্ষিকীর কেক কাটেন। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
অলোচনা সভায় হাইকমিশনার জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শিশুদের জাতীয় শিশু দিবসের শুভেচ্ছা জানান। বঙ্গবন্ধুর শৈশবকালের কিছু ঘটনার বর্ণনা করে তিনি বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ চারিত্রিক গুণাবলি বিশেষত তার সাহস, সহমর্মিতা, আত্মমর্যাদাবোধ, দৃঢ়সংকল্পবদ্ধতা, বিচক্ষণতা, সরলতা ও সততার কথা তুলে ধরেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রূপকল্প-২০৪১ এর আওতায় ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে নিজেদের যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে শিশুদের প্রতি আহ্বান জানান।
জাতীয় শিশুদিবস উপলক্ষে বাংলাদেশি শিশুরা হাইকমিশন আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অবদান’ বিষয়ে রচনা লেখা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এছাড়া শিশুরা বঙ্গবন্ধুর ওপর রচিত কবিতা ও ছড়া আবৃত্তি এবং নৃত্য পরিবেশন করে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশুদের মধ্যে হাইকমিশনার ও হাইকমিশনার পত্নী পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করেন।
সবশেষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের মাঝে বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।