ঢাকাFriday , 17 March 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত ছড়ায় মুখর গ্রিন ইউনিভার্সিটি

Link Copied!

Green_Universityনিজস্ব প্রতিবেদক : ‘তুমি হলে জাতির জনক, ধরলে জাতির হাল/ তুমি হলে মহানায়ক, সাক্ষী মহাকাল।’ বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত এমন অগণিত ছড়া ফুটছিল শিশুদের মুখে। শুক্রবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব ছড়া আবৃত্তি করেছে শিশুরা।
একই সঙ্গে তাদের পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থাও ছিল। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে বিশালাকৃতির একটি কেক কাটা হয়। পাশাপাশি মহানায়কের জীবন-কর্ম সম্পর্কে জানতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. ফৈয়াজ খান, কোষাধ্যক্ষ ও ছাত্রবিষয়ক পরিচালক মো. শহীদ উল্লাহ্, রেজিস্ট্রার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মইনুল ইসলাম (অবসরপ্রাপ্ত), অধ্যাপক ড. গোলাম আহমেদ ফারুকী, অধ্যাপক ড. মো. ফাইজুর রহমান।
সভায় সিমিন হোসেন রিমি বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। জন্মদিনে তাকে শ্রদ্ধা জানানোর শ্রেষ্ঠ উপায় হলো- দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলা। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো।
উপাচার্য ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রনায়ক- সব পর্যায়েই মানুষের সেবা করে গেছেন তিনি।
উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. ফৈয়াজ খান বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা, আধুনিক জাতীয়তাবাদী নেতা। যদিও ইতিহাসের নির্মম পরিহাস, আমরা তাকে হারিয়েছি।
কোষাধ্যক্ষ ও ছাত্রবিষয়ক পরিচালক মো. শহীদ উল্লাহ্ জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ শেখ মুজিবুর রহমানের তেজোদীপ্ত এই ভাষণেই গোটা জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।