ঢাকাThursday , 16 March 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুনঃনিয়োগ পাচ্ছেন জবি ভিসি ড. মীজানুর রহমান

Link Copied!

JNU-mizanur rahmanনিজস্ব প্রতিবেদক : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের মেয়াদ শেষ হবে ২০ মার্চ। কে হবেন নতুন ভিসি- এ নিয়ে ক্যাম্পাসে বেশ কিছুদিন ধরে গুঞ্জন চলছে। অনেকের ধারণা, ড. মীজানুর রহমানই পুনঃনিয়োগ পাচ্ছেন। অবশেষে এ গুঞ্জনই সত্যি হতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির দপ্তর থেকে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে নিয়োগের ফাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষর করেছেন। ড. মীজানুর রহমানকে পুনঃনিয়োগের বিষয়ে সুপারিশ করেছেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নিয়োগ চূড়ান্ত করবেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ বিষয়ে চিঠি পাবেন। তখন চূড়ান্তভাবে জানা যাবে।
এদিকে পুনঃনিয়োগের খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিসিকে অভিনন্দন জানাতে দেখা গেছে।
২০১৩ সালের ২০ মার্চ পুরান ঢাকায় জবিকেন্দ্রিক একটি সাংস্কৃতিক বলয় তৈরির স্বপ্ন নিয়ে তিনি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হিসেবে যোগদান করেন। তার যোগদানের পরবর্তী বছর থেকে পুরান ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক সংগঠনের সমন্বয়ে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং সরস্বতী পূজার আয়োজন করে সমাদৃত হয়েছেন। এছাড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা, সংগীত এবং চারুকলা বিভাগ চালু করেন তিনি।
এ বিষয়ে ভিসি মীজানুর রহমান বলেন, একটি কলেজ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়েছিল। ফলে কলেজের সংস্কৃতি বিদ্যমান ছিল। ওই সংস্কৃতিকে দূরে ঠেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি চালু করতে চেয়েছিলাম। বর্তমানে সব ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মানের সংস্কৃতি চালু করতে পেরেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
জবিতে হাজারো সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যেও এ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নতুন বিভাগ চালু, শিক্ষক সংকটের সমাধান, শিক্ষকদের উচ্চতর ডিগ্রির জন্য বিদেশে প্রেরণ, সব ধরনের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালু করেন। পাঠ্যপুস্তকের বাইরেও জ্ঞান অর্জনের ব্যাপক আয়োজন হাতে নেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীহল নির্মাণ, নতুন ভবন ঊর্ধ্বমুখীকরণ, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জমি ক্রয়সহ নানামুখী অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেন তিনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখলে থাকা হলগুলো উদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এজন্য তিনি শিক্ষক ও ছাত্রদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছেন। বারবার আন্দোলনের মুখে পড়েছেন।
সিনিয়র অধ্যাপকরা বলছেন, চার বছর সময়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়- এটা ঠিক। তবে এসব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেছেন তিনি। সমস্যার মধ্যেও স্বল্প সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।