ঢাকাSaturday , 4 March 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইএসের মৃত্যুকূপে শত শত লাশ

Link Copied!

sinkholeআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরাকের মসুল শহরের পাশে মরুভূমিতে আইএসের গণহত্যা নিয়ে লোকমুখে নানা গল্প ছড়িয়ে পড়ে।এবার মিলল তার প্রমাণ। ১০০ ফুট চওড়া একটি কূপের মধ্যে শত শত লাশ ফেলেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
আড়াই বছর আগে মসুল শহর দখল করার পর সেখানে ভয়ংকর গণহত্যা চালিয়েছে আইএস। মসুলের বিমানবন্দর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে মরুভূমির একটি সিঙ্কহোলকে (প্রাকৃতিক কূপ) কেন্দ্র করে মানুষ হত্যার তাণ্ডব চালায় জঙ্গিরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বন্দি করে আনা লোকজনকে ধরে এনে কূপের কিনারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এবং তাদের মরদেহ লাথি দিয়ে কূপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে। অন্যদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে। অনেককে জীবিত কূপের মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং সেখানে তারা মারা গেছে।
মৃত্যুকূপ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গুঞ্জন থাকলেও আইএসের ভয়ে প্রকাশ্যে তা বলতে পারেনি তারা। গত মাসে ইরাকি বাহিনী শহরটি দখলে নেওয়ার পর এ নিয়ে খোলামেলা আপাল করতে সাহস পাচ্ছে তারা। ইরাকি বাহিনীর ধারণা, কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ গেছে এ মৃত্যুকূপে।
আইএসের গণহত্যার প্রমাণ মিলেছে বিভিন্ন স্থানে গণকবরের সন্ধান পাওয়ার মধ্য দিয়ে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আইএস এ মৃত্যুকূপের ব্যবহার করেছে তারও আগে থেকে।
ভয়ংকর এই কূপের গভীরতা কত, তা কেউ জানে না। মরদেহগুলো ফেলে কূপের মুখ ঢেকে দিয়েছে জঙ্গিরা। সেটি খনন করে জানা গেছে মৃত্যুকূপের আসল তথ্য।
ইরাকে আইএসের তা-বের আগে সাদ্দাম হুসেইনের আমলে গণহত্যার প্রমাণ খুঁজতে শুরু করে ইরাকি কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন স্থানে গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। সাদ্দামের আমলে ১০ লাখ মানুষ নিখোঁজ হয়ে বলে বর্তমান কর্তৃপক্ষ দাবি করে থাকে। ২০০৩ সালে ইরাকে ইঙ্গ-মার্কিন আগ্রাসনের পর সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে প্রচুর রক্তপাত হয়েছে।
গত বছর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, আইএসের বর্বরতার সময় ইরাক ও সিরিয়ায় ৭২টি গণকবরের সন্ধান পেয়েছে তারা। এসব কবরে ১৫ হাজার লাশ রয়েছে বলে তাদের ধারণা। অধিকাংশ গণকবর এখনো খোঁড়া হয়নি।