নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ অভিযোগ করেছেন, টেলিটকের মোট ৪৫ লাখ সিমের মধ্যে ২২ লাখই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়নি। আর এ অনিবন্ধিত সিম ভিওআইপি ব্যবসায় ব্যবহৃত হচ্ছে।মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ছোট মিলনায়তনে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।তিনি বলেন, গত ৩১ মে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর অন্য অপারেটরদের অনিবন্ধিত সিম বন্ধ হয়েছে। এ সময় টেলিটকের মোট ৪৫ লাখ সিমের মধ্যে ২২ লাখই নিবন্ধিত হয়নি। অনিবন্ধিত এসব সিম ভিওআইপি ব্যবসায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন গড়ে বিদেশ থেকে ভিওআইপির মাধ্যমে টেলিটক সিমে কল আসে ৮ কোটি মিনিট। যার শুধু উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। যা বাৎসরিক হিসাব করলে ৩ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। টেলিটক সিম ব্যবহার করে এ বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে আয় করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিটিআরসির পাওনা ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে টেলিটক। আমাদের প্রশ্ন, এ বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ আসলে যায় কার কাছে?
ভিওআইপিতে কোনো সিম ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা জানার জন্য বিটিআরসি দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করে। একটি হচ্ছে- এসবিডি, অপরটি সেলফ রেগুলেশন পদ্ধতি (এসআরপি)। এর মাধ্যমে দৈনিক কতগুলো সিম ভিওআইপিতে ব্যবহৃত হচ্ছে, সে বিষয়ে বিটিআরসি প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে। আর এ পদ্ধতি ব্যবহার করার ফলেই টেলিটকের এ অবৈধ সিম ব্যবহারের চিত্র উঠে এসেছে।সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন ইয়ারুল ইসলাম, প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ঈমাম ফিরোজ, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি হারুন আর রশীদ খান, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবির চৌধুরী তন্ময়।

