ঢাকাSaturday , 6 August 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রিজার্ভ চুরির টাকা ফেরৎ আনার প্রক্রিয়া শুরু

Link Copied!

RCBCনিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে চুরির যে ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফিলিপাইনে গেছে তার মধ্যে ১৫ মিলিয়ন ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ম্যানিলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল দেশটির আইন বিভাগের পরামর্শে এ প্রক্রিয়া শুরু করে। আইনজীবীসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল এ কাজে বর্তমানে ম্যানিলা সফর করছেন।
ফিলিপাইন বিচার বিভাগ তাদের কাছে জমা ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরৎ চেয়ে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলকে। একই সঙ্গে বলেছে, ক্যাসিনোতে চলে যাওয়া টাকা ফেরাতে আলাদা চেষ্টা করতে।
ম্যানিলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, বিচার বিভাগের কাছে জমা ১৫ মিলিয়ন ফেরৎ পাওয়া এখন নিশ্চিত। আমরা আশা করছি, চুরির বাকী টাকা পাওয়ায় শিগরিরই ফিলিপাইন সিনেট ফের শুনানি শুরু করবে। ওই শুনানি শুরু হলে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান জন গোমেজ।
ব্যাংকিং ইতিহাসে বড় এবং আলোড়িত এ চুরির ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার ফিলিপাইন সরকার এ টাকা জব্দ করতে সক্ষম হয়। চুরির যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে মাত্র ১৮ মিলিয়ন ডলারের হদিস পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যাংকিং মাধ্যম হয়ে এখন দেশটির বিচার বিভাগের কাছে জমা রয়েছে।বাকী টাকার গন্তব্য এখনো অজানা।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ফেডারেল ব্যাংকে বাংলাদেশের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। টাকা হস্তান্তরে ব্যাংকের গোপন সুইফট কোর্ড ব্যবহার করে এ টাকা তুলে নেয় তারা।৫ পৃথক ম্যাসেজের মাধ্যমে ১০১ মিলিয়ন ডলার তুলে ৮১ মিলিয়ন পাঠায় ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের মাকাতি সিটির জুপিটার শাখায় ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অংয়ের অ্যাকাউন্টে। বাকি ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠানে শ্রীলংকাভিত্তিক সেচ্ছাসেবি সংগঠন শালিকা ফাউন্ডেশনের অ্যাকেউন্টে। প্রাপক সংগঠনের নামের বানানে গরমিল থাকায় পেমেন্ট আটকে দেয় ব্যাংক কর্মকর্তারা।