চাঁদপুর প্রতিনিধি : বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে শাহরাস্তিতে সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে সড়কের দু’পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল মাসুদ।
শুক্রবার (১ জুলাই) বাদজুমা চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের ওয়ারুক বাজার এলাকায় স্থানীয়রা এ ঘটনা ঘটায়।
এসময় দোয়াভাঙ্গা থেকে ওয়ারুক বাজার এলাকা এবং হাজিগঞ্জ থেকে ওয়ারুক পর্যন্ত শত-শত গাড়ি সড়কে আটকা পড়ে। বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী হাজার হাজার যাত্রী, রোগী, পথচারীসহ লোকজন চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে।
উত্তেজিত জনতা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অগ্নিসংযোগ এবং গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এছাড়া তারা চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার ও শাহরাস্তি ডেপুটি জোনাল ম্যানেজারের অপসারণের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে।
ঘটনার দুই ঘণ্টা পর বিকেল ৪টার দিকে শাহরাস্তির ইউএনও সামিউল মাসুদ সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের শান্ত করে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
স্থানীয়রা জানায়, রমজানের শুরু থেকে ইফতার, তারাবিহ ও সেহরীর সময় প্রতিনিয়ত বিদ্যুতের লোডশেডিং হয়। এসময় মুহূর্তের মধ্যে বিদ্যুৎ এসে ১ মিনিট পর আবার চলে যায়। তারা বলেন, একই সংসদীয় এলাকা হওয়া সত্ত্বেও হাজিগঞ্জে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ থাকে শাহরাস্তিতে সে তুলনায় খুবই কম। চরম বৈষম্যের মধ্যে শাহরাস্তির জনগণ বিদ্যুতের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এভাবে প্রতিনিয়ত বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের যাঁতাকলে পড়ে সাধারণ গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামিউল মাসুদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এবং বিদ্যুৎপ্রাপ্তির আশ্বাস দিলে জনগণ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এসময় তার সাথে ছিলেন শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ও পল্লী বিদ্যুতের শাহরাস্তি ডেপুটি জোনাল ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) দেবাশীষ পাল।

