ঢাকাTuesday , 5 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাঁচ মামলায়ই জামিন পেলেন খালেদা

Link Copied!

Khaledaনিজস্ব প্রতিবেদক : যাত্রাবাড়ীতে গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা মামলা ও গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।প্রথমে তিনি গাড়িতে আগুন দেয়ার মামলায় হাজির হন এবং জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ১১টা ২৩ মিনিটের দিকে মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে.(অব.) মাহবুবুর রহমানও জামিন পান।এর আগে এ মামলায় গত ৩০ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।
এর পরে তিনি ৩ নম্বর বিশেষ আদালতে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় হাজির হওয়ার জন্য আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে হাজির হন। সেখানে শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।এর পর তিনি বাকি তিন মামলায় হাজির হওয়ার জন্য সিএমএম আদালতে যান।সেখানে শুনানি শেষে আদালত সবগুলো মামলায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
খালেদার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া এবং সরকার পক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর পিপি আব্দুল্লাহ আবু।আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হন।দুপুর দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হওয়া সংক্রান্ত খালেদার একটি আবেদনের ওপর শুনানি চলছিল।
এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এর আগে সানাউল্লাহ মিয়া বলেছিলেন, খালেদা জিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করছেন। তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর বয়স এখন ৭০। তাই সব দিক বিবেচনায় আমরা আশা করি আদালত তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করবেন।প্রথমে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে যাত্রাবাড়ীতে গাড়ি পোড়ানো মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করা হবে। এরপর ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ আদালতে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা ও আরও চারটি মামলায় জামিন চাইবেন খালেদা জিয়া।
বিএনপি-জামায়াত জোটের অবরোধ চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে গাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে এবং একটি হত্যা মামলা। দুটো মামলাতেই বিএনপি নেত্রীকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় গত ৩০ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।
আর হত্যা মামলায় খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে জমা দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানির অপেক্ষা এখন।
অন্য মামলাগুলো
গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীতে একটি আলোচনায় বঙ্গবন্ধু ও শহীদদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গত ২৫ জানুয়ারি ঢাকা সিএমএম আদালতে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ৩ মার্চ খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির হতে সমন দেয়া হয়। কিন্তু ওইদিন তার পক্ষে সময় চাওয়ায় ১০ এপ্রিল তাকে আদালতে হাজির হতে সমন দেয় আদালত।
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ জোট সরকারের ৯ মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ১৩ মে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। এরপর উচ্চ আদালতে নির্দেশে মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়। ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার দুটি রিট আবেদন খারিজ করে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। আগামী ১৩ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলাটিতে আত্মসমর্পণের জন্য তার বিরুদ্ধে সমন জারি রয়েছে।
এছাড়া গুলশানে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের মিছিলে পেট্রলবোমা হামলায় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় এখন্ও তদন্ত চলছে।