পটুয়াখালী প্রতিনিধি : হঠাৎ করেই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে হাজির হলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এ সময় জাপার সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল হাওলাদারের নির্মাণাধীন হোটেল ঘুরে দখেন। তবে কোনো সংবাদকর্মীর সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাপা চেয়ারম্যানকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি কুয়াকাটা গ্রান্ড হোটেল অ্যান্ড সি রিসোর্টের হ্যালিপ্যাডে অবতরণ করে।
হেলিকপ্টার থেকে নেমেই তিনি এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদারের নির্মাণাধীন কুয়াকাটা গ্রান্ড হোটেল অ্যান্ড সি রিসোর্ট ঘুরে দেখেন। এরপর তিনি চা চক্রে মিলিত হন। এছাড়াও কলাপাড়া ও কুয়াকাটা জাপার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন এরশাদ। এ সময় সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। পরে সমুদ্র সৈকতে কিছুক্ষণ কাটিয়ে দুপুর সোয়া ১২টায় হেলিকপ্টারে করে কুয়াকাটা ত্যাগ করেন তিনি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গে নির্বাচনী কোনো আলোচনা তাদের হয়নি।
তবে কলাপাড়া উপজেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক গাজী নিজাম উদ্দিন জানান, মূলত এটা তার ব্যক্তিগত সফর ছিল। বরিশালে আসার পর তিনি সেখান থেকে রুহুল আমীন হাওলাদারের হোটেল দেখতে কুয়াকাটায় আসেন।
এরশাদের সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন পটুয়াখালী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জাপার সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশিষ্ট হোটেল ব্যবসায়ী সাঈদ আহমেদ।

