ঢাকাTuesday , 6 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গরমে বাচ্চার উপযোগী খাবার

Link Copied!

babyলাইফস্টাইল ডেস্ক : বাচ্চাদের মতোই নাজুক তাদের পাকস্থলি। খাওয়া দাওয়ার সামান্য এলোমেলোতে তার শরীরে গড়বড় হয়ে যেতে পারে। তাই গরম আর স্যাঁতসেঁতে বৃষ্টিতে শিশুর খাদ্য তালিকায় হালকা, পুষ্টিকর, টাটকা এবং সহজপাচ্য খাবার রাখতে হবে। সেটা হতে পারে নরম খিচুড়ি বা সবজির স্যুপ। তবে মাছ-মাংসও হতে পারে পরিমিতভাবে।
শিশুর খাবার ঘরেই তৈরি করা ভালো। বাইরের কেনা খাবার দেয়া মোটেই ঠিক নয়। আবহাওয়ার এই সময়টাতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা দেয়। ঘরে তৈরি টাটকা খাবার শিশুকে এ ধরনের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।
শিশুকে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করাতে হবে। পানি যেন অবশ্যই বিশুদ্ধ হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখুন। খুব ঠাণ্ডা বা গরম পানি দুটোই শিশুর জন্য ক্ষতিকর। সেক্ষেত্রে পরিমিত ঠাণ্ডা পানি পান করান।
শিশুকে মৌসুমি ফল খাওয়ানোর ব্যাপারে সচেষ্ট থাকতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ফলের রসও দিতে পারেন, তবে তা নিজ হাতে বাসায় তৈরি করা ভালো। ঘরে তৈরি নানারকম ফলের জুস, লেবুর সরবত, ডাবের পানি শিশুর জন্য ভীষণ উপকারী। এতে করে ঘেমে যে পরিমাণ পানি শরীর থেকে বের হয়ে যায় তার ঘাটতি পূরণ হয়। অন্যান্য খাবারের সঙ্গে শিশুকে স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে।
প্রিজারভেটিভ খাবার শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই বাইরের খাবার, কোমল পানীয় এমনকি ফলের রস ইত্যাদি থেকে আপনার শিশুকে দূরে রাখাই শ্রেয়।
শিশুর জন্য তরল দুধ তার খাওয়ার সময় বানাতে হবে, খুব বেশিক্ষণ আগে থেকে বানিয়ে রাখা ঠিক না। এতে পুষ্টিগুণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যান্য খাবার তৈরিতে এই বিষয়টি মাথায় রাখুন।
প্রস্তুত খাবার এড়াতে বাইরে যাওয়ার সময় শিশুর খাবার তৈরি করে নিয়ে যান। সেক্ষেত্রে খাবার এবং পানি বহন করার জন্য ভালো মানের ফুড গ্রেড প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করুন, যাতে করে খাবারের মান অক্ষুণ্ণ থাকে।
খাবার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা এ সময় খুব বেশি থাকে। তাই শিশুকে খাবার দেওয়ার আগে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে নিতে ভুলবেন না যে, খাবার ঠিক আছে কি-না।
আপনার শিশুর বয়স যদি ছয় মাসের কম হয় তাহলে তাকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ান। ছয় মাসের কম বয়সের শিশুকে এ সময় অন্য কোনো খাবার দেওয়ার দরকার নেই, এমনকি পানিও নয়। বুকের দুধে শিশু তার সব প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে যাবে।
ছয় মাসের বেশি বয়সের বাচ্চাদের জন্য ফিরনি, দই, সেমাই, কাস্টার্ড তৈরি করে দেওয়া যেতে পারে। ফালুদার সঙ্গে ফলটাও খাওয়া হয়। ডিম দিয়ে পুডিং ও হালুয়ার মতো খাবার তৈরি করে বৈচিত্র আনা যায়। তবেই হবে বাচ্চার সুস্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী খাবার আয়োজন।